রবি. অক্টো. ২০th, ২০১৯

খবরে সংস্কৃতিতে

আবাদি জমি রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্ব দান:প্রতিটি গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ফাইল ছবি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সকল গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আবাদি জমি রক্ষার কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে দেশের সব গ্রামকে সুন্দরভাবে সাজাতে কাজ করতে হবে।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স-সংলগ্ন ‘জমি অধিগ্রহণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা’ শীর্ষক উপস্থাপনা প্রত্যক্ষকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রাজধানীতে তাঁর কার্যালয়ে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুর রহমান প্রকল্পটি উপস্থাপনা করেন।

প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল উপজেলা পর্যায়ে নয়, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এমনকি সব গ্রামে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে তাঁর সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আবাদি জমি রক্ষার কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, সাংসদ মাশরাফি বিন মর্তুজা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চেয়ারম্যান, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচ চেয়ারম্যান, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারি প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) ৩৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা’ শীর্ষক চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
দেশব্যাপী ৩ হাজার ৪৬৫ দশমিক ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে যে চলমান ‘জরুরি নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)’ চলছে, তার একটি অংশ হিসেবে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী ২৮১টি পৌরসভায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পটির আওতায় সড়ক উন্নয়ন, সেতু, কালভার্ট ও ড্রেন নির্মাণ, ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, খাল খনন, নদী তীর পুনর্নির্মাণ, পুকুর/খাল/বিল সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন, বৃক্ষ রোপণ এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সড়কের পাশে বাতি স্থাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া পৌর এলাকায় এলজিইডি গৃহীত কিছু জরুরি উন্নয়ন কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থার প্রশংসাও করেন। এই উন্নয়ন কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক (সম্পন্ন), টুঙ্গিপাড়া-পাটগাতি খালের সৌন্দর্যবর্ধন (সম্পন্ন), টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্সের পুকুরগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন (সম্পন্ন), পাটগাতি কাঁচাবাজার (নির্মাণাধীন), টুঙ্গিপাড়া কাঁচাবাজার (সম্পন্ন) এবং প্রস্তাবিত বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ, কবরস্থানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন, শেখ রাসেল শিশু পার্কের বিপরীত পাশে টুঙ্গিপাড়া বাজার মসজিদের পুনর্নির্মাণ (প্রস্তাবিত) এবং টুঙ্গিপাড়া নতুন বাসস্ট্যান্ড (নির্মাণাধীন)।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।