অসৎ উদ্দেশ্যে নাম সর্বস্ব ’জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ খোলা হয়েছিল

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট খোলেন । আদালতকে একথা জানিয়েছেন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল।

মঙ্গলবার দুপুরে বকশিবাজার মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন,তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ ট্রাস্টের প্রধান ট্রাস্টি।  অন্য দু’জন ট্রাস্টি তার দুই ছেলে তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান কোকো।

শহীদ মঈনুল রোডের প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবন হিসেবে এ ট্রাস্টের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। অথচ সরকারি বাসভবনে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ব্যবহার করা যায় না। তা সম্পূর্ণ অবৈধ।

অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল  বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সোনালী ব্যাংকের শাখায় এ ট্রাস্টের ব্যাংক একাউন্ট করা হয়।  প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর এ ট্রাস্টে কোন প্রকার লেনদেন হয়নি। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত এ ট্রাস্টের লেনদেন হয়।এ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বেগম খালেদা জিয়ার ছেলেদের লক্ষ্য ছিল  টাকা আত্মসাৎ করা ।

কাজল বলেন, সাধারণত ট্রাস্ট গঠনের নিয়ম হলো স্থাবর অস্থাবর সম্পদ কিছু দিয়ে ট্রাস্ট শুরু করতে হয়। এখানে তাও করা হয়নি। নয়াপল্টনে যে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়েছে সে জমির মালিক সুরাইয়া খানমকে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা কেন দেয়া হয়েছে তার কোন সদুত্তরও নেই। কাজেই অসৎ উদ্দেশ্যে নামসর্বস্ব এ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।

এরআগে এ মামলায় হাজিরা দিতে বকশিবাজার মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া উপস্থিত হন দুপুর ১২টার দিকে। এরপরই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন।

খালেদা জিয়া ছাড়াও এ মামলার আসামীরা হলেন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর পিএস জিয়াউল ইসলাম মুন্না, সাদেক হোসেন খোকার পিএস মনিরুল ইসলাম।

আরেকটি দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + one =