আইএস জঙ্গিদের দলে টানছে আল কায়েদা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের ‘খিলাফত’ পতনের পর তাদের জঙ্গিদের নিজেদের সংগঠনে ভেড়াচ্ছে আমেরিকায় ৯/১১ হামলায় অভিযুক্ত আরও এক জঙ্গি সংগঠন আল কায়েদা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত গ্রীষ্মে এই নিয়োগের জন্য প্রচার শুরু হয়। আফগান যুদ্ধের পর আল কায়েদার প্রভাব কমে আসায় মার্কিনীদের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধ শুরু হলে উত্থান ঘটে আইএসের। দুই সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের খবর বেশ পুরনো।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে আল কায়েদার নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি এক অডিও বার্তায় আইএসকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যা দেন। ওই বছরের এপ্রিলে ইরাকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আয়াদ আলাওয়ি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, দুই জঙ্গি গোষ্ঠী জোটবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে কোনও পক্ষই তখন সেই খবর স্বীকার করেনি। গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, গত আগস্টে আলজেরিয়ায় আল কায়েদা জঙ্গিরা আইএস জঙ্গিদের নিয়োগ করার কাজ শুরু করে। গত অক্টোবরে আল কায়েদার সমর্থক ইয়েমেনের একটি সংবাদমাধ্যম জানায়, অনেক আইএস জঙ্গি অনুতপ্ত হয়ে আল কায়েদায় যোগ দিচ্ছে। ইতিমধ্যে আফগানিস্তানে আইএস গুরুত্বপূর্ণ ঘোর প্রদেশে তালিবানদের পরাজিত করেছে।

গত বছর আফগানিস্তানে ১৬০০ আইএস জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। আফগান ও মার্কিন সেনার যৌথ অভিযানে আইএস জঙ্গিরা এখন অনেকটাই ব্যাকফুটে। এমনটাই জানিয়েছেন রেজলিউট সাপোর্ট মিশনের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর ক্যাপ্টেন টম গ্রেসবাক। গ্রেসবাক জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের তিনটি প্রদেশে এখন আইএস জঙ্গিরা সক্রিয়। যেভাবে তাদের মোকাবিলা করা হয়েছে তাতে আগামীদিনে আইএস জঙ্গিরা আফগানিস্তানে আর মাথা তুলে দাড়াতে পারবে না। আফগানিস্তানে অস্থিরতা ও সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরির জন্য শুধু আইএস নয়, তালিবানও দায়ী। তবে আফগানিস্তানে আইএসের উত্থানের পর তালিবান অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছে। তাই তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথ খুঁজে পেতে চায় আফগান প্রশাসন। গ্রেসবাক জানিয়েছেন, তালিবান আফগান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসুক। শান্তির পথে সমস্যার সমাধান বের হোক। তাতে অন্তত দেশে রক্তপাত বন্ধ হবে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

two − 1 =