আগামিকাল রাশিয়ায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মুখোমুখি মোদী-শরিফ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Modi -Newaz”ভারতে বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিল, পাকিস্তানে তাতে সম্মতি জানিয়েছে।” বললেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র কাজি খালিলুল্লাহ।

শুক্রবার রাশিয়ায় পাক কাউন্টারপার্ট নওয়াজ শরিফের মুখোমুখি হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জল্পনা চলছিল আগেই, আর তাতেই শিলমোহর হলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ।  টুইট করে এই দুই নেতার বৈঠকের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি । ইতিমধ্যে, পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র কাজি খালিলুল্লাহ জানিয়েছেন এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে।

গত বছর কাঠমাণ্ডুতে সার্ক সামিট চলাকালীন মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদী ও শরীফ। কিন্তু সেবার কোনও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এড়িয়ে চলেন দু’পক্ষই।

২০১৪ সালে ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী পদে মোদীর শপথ গ্রহণের সময় শেষ বৈঠক হয় মোদী-শরিফের। কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে দু’পক্ষই উপহার বিনিময়ে মত্ত ছিলেন। মোদীর টুইটে দুই নিউক্লিয়ার শক্তিধারি বিবাদমান প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক উন্নতির বার্তাও সামনে আসে।

কিন্তু, বাস্তবে তার ঠিক উলটো ছবি স্পষ্ট হয়। সীমান্তে তীব্র হয় বিরোধ। দু’দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিরতি ভঙ্গের অভিযোগ আনে বারবার। গত অগাস্টে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে পাকিস্তান হাত মেলাতে এগিয়ে আসে। বিদেশ সচিবদের মধ্যে আলোচনার ডাক দেয় ক্ষুব্ধ নয়া দিল্লি।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে পাকিস্তান। সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে ঝোঁকে।

নয়া দিল্লির তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও ২৬/১১ মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড জাকিউর রহমান লখভিকে মুক্তি দিয়ে বৈরিতা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে ইসলামাবাদের একটি আদালত।

আশা করা হচ্ছে, শুক্রবারের বৈঠকে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায় উঠে আসবে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গও। লখভি প্রসঙ্গেও আলোচনার সম্ভাবনা প্রবল।

এরমধ্যে অবশ্য, সুসম্পর্ক বজায় তাগিদে শরিফকে ফোনে রামজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদী। ইয়েমেন থেকে দু’দেশের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এক পরস্পরকে সাহায্য করেছে উভয়ই।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

fifteen + twelve =