আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করলো চট্টগ্রাম বন্দর:বছরে ১২.৫ শতাংশ গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন :চেয়ারম্যান

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ শনিবার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর একটি গতিশীল প্রতিষ্ঠান। এ গতিশীলতা সারা দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে। বছরে সাড়ে ১২ শতাংশ গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে বন্দর। প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ পদক্ষেপ, নৌ পরিবহন মন্ত্রণলায়ের দিকনির্দেশনায় বন্দরের সক্ষমতা বাড়ছে। এর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। আজ আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করলো চট্টগ্রাম বন্দর। ডিস্যালাইনেশন অ্যান্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালুর মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশি-বিদেশি জাহাজে আন্তর্জাতিক মানের পানি সরবরাহ দিয়ে আয় বাড়ানো হবে। এতদিন পানির জন্য ওয়াসার ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। তাদের সরবরাহ ছিল অপ্রতুল। ৭ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পেতাম গড়ে ৪ হাজার টন। তাই রেশনিং করতে হতো।’ডিস্যালাইনেশন অ্যান্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নৌ পরিবহন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ তথ্য দেন বন্দর চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ প্রকল্প নেওয়া হয়। ২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকায় প্রকল্পটি এক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হয়। ঘণ্টায় ৪০০ ঘনমিটার পানি শোধন করবে এ প্ল্যান্ট। এর ফলে ওয়াসা আমাদের যে ৪ হাজার টন পানি সরবরাহ দিতো তা চট্টগ্রামের জনসাধারণকে দিতে পারবে।’
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, কমোডর এম শাহজাহান, ক্যাপ্টেন জুলফিকার আজিজ, পরিচালক মো. জাফর আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আলমগীর কবির, গোলাম ছরওয়ার, ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন নাজমুল আলম, সচিব মো. ওমর ফারুক, প্রকল্প পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীসহ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বন্দরের সাবেক ও বর্তমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী ২টা ৩৫ মিনিটে প্ল্যান্টের ফলক উন্মোচন এবং অনুষ্ঠান শেষে সুইচ টিপে প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি প্ল্যান্টটি ঘুরে দেখেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

five + 10 =