ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চুক্তি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক চুক্তি হয়েছে। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রচারণা ও সংস্কৃতির পারস্পরিক বোঝাপড়ায় ফ্রঙ্কো-জার্মান দূতাবাসে ইউনিক (ইউরোপিয়ান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কালচার) ক্লাস্টার সদস্যদের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ইউনিক বাংলাদেশের লক্ষ্য ইউরোপিয় সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ওপর আলোকপাত করে বাংলাদেশের অংশীদার ও অংশীজনদের সঙ্গে নানা কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ইইউর উপস্থিতি বাড়ানো।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তিরিঙ্ক, ফরাসি রাষ্ট্রদূত মারি আনিক বুহ্দাঁ, ব্রিটিশ হাই কমিশনার অ্যালিসন ব্লেক এবং জার্মানির রাষ্ট্রদূত টমাস হেনরিখ প্রিনজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। আরো উপিস্থত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালক বারবারা উইকহ্যাম, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার পরিচালক ব্রুনো প্লাস, গ্যেটে ইনস্টিটিউটের ইন্সটিটিউট পরিচালক কার্স্টেন হ্যাকেনব্রক প্রমুখ।
বাংলাদেশে ক্লাস্টারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও গ্যেটে ইনস্টিটিউট বিস্তৃত পরিসরে নিয়মিত ভিত্তিতে এ বিষয়ক নানা কার্যক্রম আয়োজন করছে।
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করতে গিয়ে নতুন মাত্রা পাবে। তাছাড়া, এ ধরনের সম্মিলিত আয়োজন ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ককেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
ইইউ রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তিরিঙ্ক বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের লক্ষ্যের ভিত্তিতে পারস্পরিক সাংস্কৃতিক প্রকল্প ও শক্তিশালী অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ইউনিক বাংলাদেশ ক্লাস্টারের লক্ষ্য বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক অনুশীলনের সঙ্গে যুক্ত করা যা বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হবে।
অ্যালিসন ব্লেক বলেন, প্রত্মতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিস্তৃত প্রচারণায় আন্তঃসাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধিতে পাশাপাশি, এ খাতে দক্ষতার সমন্বয় ও প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত মারি আনিক বুহ্দাঁ বলেন, ইউনিক বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে ইউরোপ ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
জার্মানির রাষ্ট্রদূত টমাস হেনরিখ প্রিনজ বলেন, ইউনিক বাংলাদেশের এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আমাদের বাংলাদেশি অংশীদারদের সাথে সম্পর্ক জোরদার করবে।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালক বারবারা উইকহ্যাম বলেন, বাংলাদেশ সরকারের যৌথ সহযোগিতায় বাংলাদেশের সৃষ্টিশীল প্রেক্ষাপটের চিত্র তৈরিতে আমরা সাম্প্রতিক এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো।
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার পরিচালক ব্রুনো প্লাস বলেন, ইউনিক বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে ইউরোপ ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
গ্যেটে ইনস্টিটিউটের ইন্সটিটিউট পরিচালক কার্স্টেন হ্যাকেনব্রক বলেন, অতীতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও গ্যেটে ইনস্টিটিউট একসাথে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি প্রকল্প ও কর্মশালায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য যেমন ফ্যাশন ডিজাইন, স্থাপত্য নিদর্শন ও পাট দিয়ে নির্মিত আসবাবপত্র নিয়ে কাজ করেছে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

thirteen − 2 =