এক দেশের অস্ত্র ও জঙ্গী অন্য দেশের মানুষ হত্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে-ইন্টারপোল মহাসচিব:বৈশ্বিক সমস্যা জঙ্গীবাদ দমনে আঞ্চলিক সহযোগিতা জরুরী:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন ধরনের হুমকির সম্মুখীন বিশ্ব:বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ব মেলেনি 

বর্তমানে বিশ্ব তিন ধরনের হুমকির সম্মুখীন। প্রথমত, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হুমকি; দ্বিতীয়ত, সন্ত্রাসবাদীদের হুমকি; তৃতীয়ত, ভাবাদর্শগত উগ্রপন্থিদের হুমকি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ আঞ্চলিক বা কোন একটি দেশের একক সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই সন্ত্রাসবাদ দমনে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।  বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের কোন অস্তিত্ব মেলেনি। তবে এখানকার হোমগ্রাউন্ড  জঙ্গিদের সাথে  আইএসের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্টারপোলের যৌথ আয়োজনে ‘চিফ অফ পুলিশ কনফারেন্স অফ সাউথ এশিয়া অ্যান্ড নেইবারিং কান্ট্রিস অন রিজিওনাল কো-অপারেশন ইন কার্ভিং ভায়োলেন্ট  এক্সট্রিমিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব অভিমত ব্যক্ত করেন। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসসহ আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে ঢাকায় বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের তিন দিনের এ সম্মেলন শুরু হয় শনিবার। হোটেল সোনারগাঁওয়ে তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন ইন্টারপোল মহাসচিব ইউরগেন স্টক, আফগানিস্তানের সিনিয়র ডেপুটি মিনিস্টার ফর সিকিউরিটি আবদুল রহমান, মালয়েশিয়ার ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ খালিদ আবু বকর, মায়ানমার পুলিশের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইও সিউইন, শ্রীলঙ্কার ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ পুজিদ সেনাদি বান্দর জয়াসুন্দারাসহ আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভুটান, ব্রুনাই, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, ময়ানমার, নেপাল, দক্ষিফ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনামসহ ১৫ দেশের পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এছাড়া ইন্টারপোল ফেসবুক, ইন্টারপোল গ্লোবাল কমপ্লেঙ্ ফর ইনোভেশন (আইজিসিআই) যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই), আসিয়ানাপোল, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ট্রেনিং অ্যাসিসট্যান্স প্রোগ্রাম (আইসিআইটিএপি)-সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের প্রথমার্ধে উদ্বোধনের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ উত্থান ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। এরপর বৈশ্বিক জঙ্গিবাদ সম্পর্কে আরেকটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেরোরিজম রিসার্চের (আইসিপিভিটিআর) অধ্যাপক ড. রোহান গুনারত্ন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এখন শুধু নিজের দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। জঙ্গিদের ‘ভার্চুয়াল’ উপস্থিতি থাকতে পারে। এ উপস্থিতি কোন সীমান্ত মানে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা সরকারের একার দায়িত্ব নয়। তাই বিভিন্ন কমিউনিটি, ধর্মীয় নেতাসহ সবাইকে নিয়ে একত্রে জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করা হচ্ছে। শুধু দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ নয়, প্রতিবেশী দেশেও যাতে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীরা ঘঁভটি গাড়তে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা প্রতিবেশীদের সঙ্গে কাজ করছি। এছাড়া জঙ্গিবাদ দমনে জাতিসংঘ গৃহীত বিভিন্ন কৌশলগত সিদ্ধান্তের প্রতি বাংলাদেশ সমর্থন জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু দেশের জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন না, আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ দমনে তিনি ভূমিকা রাখছেন। আমাদের সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।’ এ সময় তিনি গত বছর হলি আর্টিজানসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চালানো জঙ্গিবিরোধী অভিযানে পুলিশের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

ইন্টারপোল মহাসচিব  ইউরগান স্টক বলেন, এক দেশের অস্ত্র ও জঙ্গী অন্য দেশের মানুষ হত্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে। ইউরগান স্টক জানান, ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজানের হামলার পর ইন্টারপোল তথ্য দিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে ।ইন্টারপোলের সেক্রেটারি জেনারেল  আরো বলেন,  ইন্টারপোল  ৬০ দেশের মধ্যে ডাটাবেজের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে পারস্পরিক তথ্য বিনিময় করবে ডাটাবেজের মাধ্যমে।উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান একেএম শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ আঞ্চলিক বা কোন একটি দেশের একক সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই সন্ত্রাসবাদ দমনে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন। জঙ্গীবাদ দমনে বাংলাদেশ প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে  ‘ওয়ান টু ওয়ান কমিউনিকেশন’ চায় বলে জানান  পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে  ইন্টারপোলের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এ সম্মেলনে দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের মধ্যে আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা করা হবে। সাইবার অপরাধ, জঙ্গিবাদ, বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিষয়ে আলোচনা হবে। আলোচনার মাধ্যমে এসব অপরাধ দমনে সবাই মিলে উপায় খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ গত বছরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা- মোকাবিলা করেছে। তবে সফলতার সঙ্গেই বাংলাদেশ এটি মোকাবিলা করেছে। এসব বিষয় নিয়ে পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আদান-প্রদানের জন্য এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

সম্মেলনের উদ্দেশ্য নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন আইজিপি একেএম শহীদুল হক ও ইন্টারপোল মহাসচিব ইউরগেন স্ট্রক। ইউরগেনের কা?ছে প্রশ্ন ছিল, বি?রোধীদল?কে দমন-পীড়?নের জন্য সরকার ইন্টার?পো?লের কা?ছে তথ্য সহ?যো?গিতা চেয়ে থা?কে এমন অভি?যোগ আছে। জবাবে ইউরগেন স্ট্রক বলেন, প্রতি?টি তথ্য প্রদা?নের সময় তারা পুরো প্রক্রিয়া মূল্যায়ন ক?রে থা?কেন। ‘রাজনৈতিক কোন নেতার নাম যদি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় সেক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষ অভিযোগ করলে তা যাচাই-বাছাই করা হয়। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে রাজনৈতিক বিবেচনায় কারও নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তাহলে তার নাম বাদ দিয়ে দেয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে যে কেউ আপিল করতে পারে রেড নোটিশের বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জঙ্গিবাদ নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: মনিরুল ইসলাম

সম্মেলনের দ্বিতীয় অংশে ‘বাংলাদেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থান’ শীর্ষক প্রবন্ধটি উপস্থাপন করতে গিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় জঙ্গিবাদ নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, এ ব্যাপারটি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। প্রবন্ধে মনিরুল জানান, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে উগ্রপন্থি অর্থাৎ বামপন্থিদের উত্থান এবং দ্বিতীয়ত, সমসাময়িক বিপথগামী ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের সৃষ্ট জঙ্গিবাদ।

২০১৩ সালে  ব্লগার হত্যা থেকে ২০১৬ সালে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজানে হামলাকে ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের দ্বারা সৃষ্ট জঙ্গিবাদের উত্থান বলে উল্লেখ করে মনিরুল বলে, এ জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ও নবগঠিত সিটিটিসি ইউনিট কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তিনি কওমী মাদাসা ভিত্তিক শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে এর জন্যে দায়ী করেন।
বর্তমানে বিশ্ব তিন ধরনের হুমকির সম্মুখীন :

সম্মেলনে এক প্রবন্ধে বলা হয়, বর্তমানে বিশ্ব তিন ধরনের হুমকির সম্মুখীন। প্রথমত, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হুমকি, দ্বিতীয়ত সন্ত্রাসবাদীদের হুমকি, তৃতীয়ত ভাবাদর্শগত উগ্রপন্থিদের হুমকি। সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রোহান গুনারত্নে তার প্রবন্ধে এসব কথা বলেন। ১৪টি সেশনে অন্য দেশের প্রতিনিধিরা জঙ্গিবাদ দমন, মানব পাচার, অর্থনৈতিক অপরাধ ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন, মাদকদ্রব্য পাচার রোধ ও অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। সম্মেলনে প্রথম দিনে গতকাল দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। একটি প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. রোহান গুনারত্নে জানান, বর্তমানে সন্ত্রাসবাদীদের হুমকি বহুজাতিকভাবে দেখা যাচ্ছে। জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও তার সহযোগী দলগুলো ইসলামী উগ্রপন্থি সন্ত্রাসবাদী গ্রুপের আদলে কাজ করছে। এর ফলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেরোরিজম রিসার্চের (আইসিপিভিটিআর) পরিচালক রোহান গুনারত্নে ডিরেডিকাইলাইজেশন অফ মিলিট্যান্স এন অপ্রোচ ফর ডাইজাসমেন্ট অ্যান্ড রিটেনিজাইশেন ইনটু সোসাইটি প্রবন্ধ উপস্থান করতে গিয়ে বলেছেন, হলি আর্টিজানে হামলা প্রতিরোধে কমান্ডোদের জন্য অপেক্ষা করা ভুল ছিল। তিনি আরও বলেন, হলি আর্টিজানে হামলা চালিয়েছিল আইএস, দেশীয় জঙ্গিরা নয়। রোহান গুনারত্নে তার উপস্থাপনায় জঙ্গিবাদ দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘হলি আর্টিজানে হামলাকারীরা হোম গ্রোন, এটা সত্যি নয়। হামলা চালিয়েছিল আইএস।’ গত বছরের ১ জুলাই হামলার সময়ে হামলাকারীরা যেসব মাধ্যমে যোগাযোগ করে, সেগুলোর প্রতি আইসিপিভিটিআর নজর রেখেছিল বলে বলেন তিনি। গুণারত্নে বলেন, সাধারণ অপরাধীরা পুলিশ দেখে বাঁচতে পালায়। কিন্তু জঙ্গিরা মরতে চায়। তারা হলি আর্টিজান দখল করে কোন ধরনের দর-কষাকষিতে যায়নি। কাজেই বিশেষ কোন বাহিনীর জন্য পুলিশের অপেক্ষা করার দরকার ছিল না। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশে পুনর্বাসনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা দরকার বলে উল্লেখ করেন রোহান। তাছাড়া পুলিশ, সেনাবাহিনী, সবকটি গোয়েন্দা সংস্থার একসঙ্গে কাজ করা দরকার বলেও জানান রোহান গুনারত্নে।

প্রফেসর রোহান গুনারত্ন তার আলোচনায় উল্লেখ করেন, সমগ্র পৃথিবীতে বর্তমানে তিন ধরনের হুমকি বিরাজমান। প্রথমত, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হুমকি; দ্বিতীয়ত, সন্ত্রাসবাদীদের হুমকি এবং তৃতীয়ত, ভাবাদর্শগত উগ্রপন্থিদের হুমকি। তিনি বলেন, বর্তমানে সন্ত্রাসবাদের হুমকি বহুজাতিকভাবে দেখা হচ্ছে। যেমন- ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং তার সহযোগী দলগুলো ইসলামী উগ্রপন্থি সন্ত্রাসবাদী গ্রুপের আদলে কাজ করছে। এর ফলে এশিয়া প্যাসিফিক এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

eleven − seven =