ওয়াল স্ট্রিটের দাপটকে পাল্ট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সে – ফিয়ারলেস গার্ল’ বা ‘নির্ভীক মেয়ে’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিউ ইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিটের সেই বিখ্যাত তেড়ে আসা ষাঁড়ের মূর্তির ঠিক সামনেই দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল এক কিশোরীকে। যেন ওয়াল স্ট্রিটের দাপটকে পাল্ট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল সে। ব্রোঞ্জের এই মূর্তিটি পরিচিতি পেয়েছিল ‘ফিয়ারলেস গার্ল’ বা ‘নির্ভীক মেয়ে’ হিসেবে। ২০১৭ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মূর্তিটি অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হলেও এখনও সেটা সেখানেই থেকে গিয়েছে। তবে শেষপর্যন্ত এই নির্ভীক মেয়ের কপালে কী আছে, সেটা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে নিউ ইয়র্ক শহরের কর্তৃপক্ষ। সেখানকার মেয়র বিল ডি ব্লাসিও’র মুখপাত্র নাটালিগ্রাইবস্কাস জানান, মূর্তিটি আরও কয়েকদিন সেখানে থাকবে। তার পরে তা দিয়ে কী করা হবে সে বাপারে কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

স্টেট স্ট্রিট গ্লোবাল অ্যাডভাইসর নামে একটি কোম্পানি ২০১৭ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এই ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছিল। প্রথমে এটির থাকার কথা ছিল মাত্র কয়েকদিন। কিন্তু সেই ভাস্কর্য জনগণের এতটাই পছন্দ হয় যে, নগর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় এটির মেয়াদ বাড়িয়ে এক বছর করে দেওয়ার। স্টেট স্ট্রিট এর প্রধান বিনিয়োগ অফিসার লোরি হাইনেল বলেন, ‘আশা করছি আমরা এমন ব্যবস্থা নিতে পারব যাতে মূর্তিটি জনগণের সম্পদ হিসেবেই থাকে। আমরা মেয়রের সঙ্গে কথা বলছি এবং একসঙ্গে কাজ করছি সমাধান বের করার জন্য।’

সম্প্রতি অ্যাডউইকে রিপোর্ট করা হয় যে, ফিয়ারলেস গার্ল এবং দ্য বুল দুটি মূর্তিকেই সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে নতুন এক ঠিকানায়। তবে নগর কর্তৃপক্ষ সেই সংবাদ নিয়ে কোনও মন্ত্যব্য করেননি। চেঞ্জ ডট ওআরজি নামে এক ওয়েবসাইটে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন যেন ফিয়ারলেস গার্লকে সেখানে স্থায়ীভাবে রাখা হয়। ফিয়ারলেস গার্ল-এর শিল্পী ক্রিস্টেন ভিসবাল এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আশা করেন দুটি মূর্তি একই সঙ্গে থাকবে। আর তারা যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। তিনি বলেন, মূর্তির পাথর পরিবেশের সঙ্গে মিলিয়ে এমনভাবে নির্বাচন করা এবং এত পরিশ্রম করে তা বানানো, যেন দেখে মনে হয় সেটি অনেক বছর ধরে সেখানে ছিল।মানুষের হৃদয়ের একটি ফাঁকা জায়গা ভরাট করেছে এই মূর্তিটি।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

10 + 11 =