‘কার্বন নিঃসরণ করছে ধনী দেশগুলো, অথচ তারা অনুদান দিচ্ছে না’- ডেপুটি স্পিকার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, ‘কার্বন নিঃসরণ করছে ধনী দেশগুলো, অথচ তারা অনুদান দিচ্ছে না।’ তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলো শিল্পায়নের নামে যে হারে কার্বন নিঃসরণ করে তার বিরূপ প্রভাব পরিবেশের ওপর পড়ছে এবং ভুক্তভোগী হচ্ছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য যে আর্থিক অনুদানের প্রতিশ্রুতি উন্নত দেশগুলো দিয়েছে তা পূরণে তারা কার্যকারী ভূমিকা রাখছে না।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে আইপিডি কনফারেন্স কক্ষে নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশের (এনসিসি’বি) আয়োজনে “জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন বৃদ্ধিতে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত সমস্যা প্রকট হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান যিনি জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় অালাদা বরাদ্দ দিয়ে ফান্ড তৈরি করেছেন। এর আগে বাংলাদেশকে বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে হতো।

ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করছে সেটি সঠিকভাবে খরচ হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করার জন্য একটি কার্যকারী অথরিটি থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠন করা যেতে পারে। তাহলে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যাবহার নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ন্যায় জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন সরকার এর আগে কেউই ছিল না। জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব মোকবেলায় করণীয় বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী জোড়ালো বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ, সংসদ সদস্য টিপু সুলতান, নবী নেওয়াজ, মাহজাবীন মোর্শেদ, বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

fourteen + seventeen =