কিউবা বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ১০৭ জন নিহত: রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কিউবার রাজধানী হাভানার জোসি মার্তি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তিনজন আরোহী ছাড়া সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি ছিল ৩৯ বছরের পুরনো। ১৯মে ভোর ৬টা থেকে ২০ মে বেলা ১২টা অবধি  রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে কিউবা সরকার। 

বোয়িং ৭৩৭ বিমানটিতে ১১০ জন আরোহী ছিলেন। এরমধ্যে ১০৪ জন কিউবার যাত্রী আর ৬ জন কেবিন ক্রু।
আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটির ১০৬ জন আরোহী ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। আহত চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে একজনের মৃত্যু হয়। বাকি তিনজন আরোহী চিকিৎসাধীন আছেন।

দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্র গ্রামা জানিয়েছে, বেঁচে যাওয়া তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়ের ডিয়াজ-কানেল বলেন, এটা সত্যিই এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।

বিমানবন্দর সূত্রের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে হলগিউইন শহরের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানবন্দর ও সান্তিয়াগো দে লাস ভেগাস শহরের মাঝখানে বিধ্বস্ত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদেশি ক্রু বিমানটি চালাচ্ছিল। দেশটির টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ছবিতে বিমানবন্দরের কাছ থেকে কালো ধোঁয়া কুণ্ডলি পাকিয়ে উঠতে দেখা গেছে।দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, দুর্ঘটনায় পড়া উড়োজাহাজটি  ১৯৭৯ সালে তৈরি।মেক্সিকান কোম্পানি এরিলাইনাস দোমোজের কাছ থেকে ভাড়া নেয়া  হয় দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি।

প্যানোরমা এয়ারলাইন্সের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে সেটি চালানো হচ্ছিল।দুর্ঘটনার পরই দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন। বিপুল সংখ্যক পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে।

কিউবাতে ১৯৯৭ সালে অনটোনভ-২৪ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্স্ত হয়ে সমুদ্রে পড়ে গেলে সেটির ৪৪ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছিলেন। এর পর ২০০২ সালে আরেকটি বিমান দূর্ঘটনায় ১৬ যাত্রী নিহত হন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

twenty − eight =