‘কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারি, পহেলা বৈশাখসহ বাংলা দেশের সাংস্কৃতিক শেকড়, অস্তিত্ব ও অর্জনকে বারবার  ম্লান করে দিতে তৎপর দেশবিরোধী সমাজবিরোধী মানবতাবিরোধী জঙ্গিরা, সেখানে লড়ছেন – জীবন দিচ্ছেন এদেশের সন্তানেরা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাধীনতা দিবসে আজ জাতিকে গর্বিত করলো বাংলাদেশের ক্রিকেট যোদ্ধারা, আমাদের সত্যিই কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না !

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ৷ লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা, এই দিনে জাতি পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে মুজিবনগর সরকারের সকল সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বীর শহিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সম্ভ্রম ঢেলে দেয়া বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের ৷

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সেই বর্বরোচিত হামলার বিয়োগান্তক ঘটনার স্মরণে এবারই প্রথমবারের মতো ২৫ শে মার্চ ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ পালন করছে জাতি। একই সঙ্গে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শিগগিরই জাতিসংঘে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

স্বাধীনতার ৪৬ পর এসে আরো একটি বিশাল ভারের বোঝা লাঘব হয়েছে জাতির ৷ যেসকল খুনি যুদ্ধাপরাধী কসাইরা স্বাধীন দেশে দম্ভের সাথে বিএনপি জাতীয় পার্টির আমলে একসময় মন্ত্রী হয়ে গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন, যারা অনেক বছর বাংলাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন, সেইসব যুদ্ধাপরাধীদের কারুর বিচার হয়েছে, কারও কারও বিচার চলছে ৷ এ পর্যন্ত ছ’জন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে ৷ এরা হলেন কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামী এবং মীর কাসেম আলী৷ কারাভোগ করার সময় মৃত্যু হয়েছে দু’জনের৷ ট্রাইব্যুনালে ২২ জনের রায় হয়েছে, এদের মধ্যে চারজন পলাতক৷ চূড়ান্ত রায় হয়েছে ১১ জনের ৷ ১৩ জনের বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন ৷

২০০৮ সালে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ ৷ তাদের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচার ৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়ী হয় ৷ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয় ৷ মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় ৷

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয় । সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ছাড়াও সব সড়ক ও সড়কদ্বীপ সাজানো হয়েছে জাতীয় পতাকা ও রঙিন পতাকায়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে হয়েছে আলোকসজ্জা। দিনটিতে মহান শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর্ব শুরু হয় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সূর্যোদয়ের সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে। সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হয়েছে শিশু-কিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল, সরকারি শিশু সদন ও এতিমখানা এবং কারাবন্দিদের দেওয়া হয়েছে উন্নত খাবার। সারা দেশের স্মৃতিসৌধগুলোতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দল ও সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করছে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৭ উপলক্ষে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ৷ লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা, এই দিনে জাতি পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে মুজিবনগর সরকারের সকল সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বীর শহিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও সম্ভ্রম ঢেলে দেয়া বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের ৷

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সেই বর্বরোচিত হামলার বিয়োগান্তক ঘটনার স্মরণে এবারই প্রথমবারের মতো ২৫ শে মার্চ ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ পালন করছে জাতি। একই সঙ্গে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শিগগিরই জাতিসংঘে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।

স্বাধীনতার ৪৬ পর এসে আরো একটি বিশাল ভারের বোঝা লাঘব হয়েছে জাতির ৷ যেসকল খুনি যুদ্ধাপরাধী কসাইরা স্বাধীন দেশে দম্ভের সাথে বিএনপি জাতীয় পার্টির আমলে একসময় মন্ত্রী হয়ে গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন, যারা অনেক বছর বাংলাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন, সেইসব যুদ্ধাপরাধীদের কারুর বিচার হয়েছে, কারও কারও বিচার চলছে ৷ এ পর্যন্ত ছ’জন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে ৷ এরা হলেন কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামী এবং মীর কাসেম আলী৷ কারাভোগ করার সময় মৃত্যু হয়েছে দু’জনের৷ ট্রাইব্যুনালে ২২ জনের রায় হয়েছে, এদের মধ্যে চারজন পলাতক৷ চূড়ান্ত রায় হয়েছে ১১ জনের ৷ ১৩ জনের বিচার এখনও প্রক্রিয়াধীন ৷

২০০৮ সালে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ ৷ তাদের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচার ৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়ী হয় ৷ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয় ৷ মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় ৷

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয় । সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ছাড়াও সব সড়ক ও সড়কদ্বীপ সাজানো হয়েছে জাতীয় পতাকা ও রঙিন পতাকায়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে হয়েছে আলোকসজ্জা। দিনটিতে মহান শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর্ব শুরু হয় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সূর্যোদয়ের সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে। সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হয়েছে শিশু-কিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল, সরকারি শিশু সদন ও এতিমখানা এবং কারাবন্দিদের দেওয়া হয়েছে উন্নত খাবার। সারা দেশের স্মৃতিসৌধগুলোতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পাশাপাশি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দল ও সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করছে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৭ উপলক্ষে তিনি দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

fifteen − seven =