খালেদা জিয়ার জামিন ৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ এপ্রিল পরবর্তী শুনানী পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন আদালত।বুধবার ঢাকার বকশীবাজারে সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

আজ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়নি।  বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) আব্দুলাহ আবু সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়াকে আজ আদালতে হাজির করার সকল প্রস্তুতি আমাদের ছিল কিন্তু কারাগারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাকে বাইরে বের করা যাবে না। তাই সকল প্রস্তুতি নেওয়ার পরও আজ তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না।

 খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ানোর আবেদন করেন। মোশাররফ হোসেন এর বিরোধিতা করে বলেন, খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকার কারণে তার জামিনের কোনো সুযোগ নেই। তখন সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, জামিনের সঙ্গে কারাগারে থাকা বা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।

প্রসিকিউশনের পক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, ‘দুইজন আসামি অনুপস্থিত। একজন আসামি খালেদা জিয়া আদালতে আসেননি । কি কারণে তিনি আসেনি এটা আমার জানা নেই। এটা কারা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে। অনিবার্য কারণে তাকে আনা হয়নি।’

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক আখতারুজ্জামান বলেন, আগামীকালও এ মামলার শুনানির দিন ছিল। কিন্তু শুনানি হবে না। আগামী ৫ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য হলো। একই সঙ্গে ওই দিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া এই মামলার জামিনে থাকবেন বলে তিনি আইনজীবীদের জানান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। গত ১৩ মার্চ রাজধানীর ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ২৮ ও ২৯ মার্চ খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগষ্ট তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন। তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

twenty + 11 =