ঘাতক সাকা চৌ’ একাত্তরে দেশে ছিলেন-আপীল বিভাগ দেখলেন দৈনিক পাকিস্তান

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Daily Pakistanমানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর একাত্তরে দেশে থাকার প্রমাণ হিসেবে ওই সময়ের দৈনিক পাকিস্তান সংবাদের মূল কপি প্রধান বিচারপতিসহ ৪ বিচারপতিকে দেখিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ। এ সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, নথিবদ্ধ থাকা সংবাদই প্রমাণ করে অপরাধের সময়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দেশেই ছিলেন।মঙ্গলবার এ মামলায় শুনানি শেষে ২৯ জুলাই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। তবে পরদিনবুধবার আবারও এ মামলা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রাখা হয়। কারণ আসামিপক্ষের দাবির জবাব দিতে একটি দলিল উপস্থাপন করবার অনুমতি চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।  উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করার পর আপীল বিভাগ এ রায় বহাল রাখবে বলে আশা করছেন রাষ্ট্রপক্ষ। Saqa War criminal photo

আপিল শুনানিতে আসামিপক্ষ দাবি করেন একাত্তর সালের ২৯ মার্চ থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দেশে ছিলেন না। এই  দাবি মিথ্যা প্রমাণ হয়ে যায় পরবর্তীতে যখন সা কা চৌধুরীর  দেশে থাকার সপক্ষে ১৯৭১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক পাকিস্তানে প্রকাশিত সংবাদের ফটোকপি আদালতে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

সেই প্রতিবেদনের ফটোকপিকে ভুয়া ও বানানো বলে দাবি করে আসামি পক্ষ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে  অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলা একাডেমির গ্রন্থাগার থেকে ওই পত্রিকার মূল কপি সংগ্রহ করে আপিল বিভাগে জমা দেয়ার জন্য আবেদন জানান।

এরপর সাকার শুনানি আবারও কার্যতালিকায় আসে। আপিল বিভাগে উপস্থাপন করা সংবাদটির শিরোনাম ছিলো ‘বোমার আঘাতে ফজলুল কাদেরের ছেলে আহত, গুলিতে ড্রাইভার নিহত’। প্রধান বিচারপতিসহ বেঞ্চের অন্য তিন বিচারপতি নথিটি দেখেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দেশে থাকা সংক্রান্ত নথিটি আপিল বিভাগে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ সময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবী আসামীর সপক্ষে আরো বক্তব্য উপস্থাপন করলে আপিল বিভাগ বলেন, বিষয়টি তাঁরা তাঁদের মতো বিবেচনা করবেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, পত্রিকাটির মূলকপি বাংলা একাডেমির যার কাছে ছিলো তিনি মঙ্গলবার দুপুর ১টায় উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও সময়মতো আসতে পারেননি। আদালতকে  তা জানানো হয়। এ কারণে বুধবার শুনানিতে শুধু মূল কাগজটিই দেখেছেন ৪জন বিচারপতি।

তিনি বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীও পত্রিকার মূল কপিটি দেখেছেন। ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তখন যদি দেশে না-ই থাকেন তাহলে ওই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার কোনো কারণই ছিলো না। তিনি দেশে ছিলেন বলেই ওই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিলো।

 

 

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

thirteen + 6 =