জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হলেন মাশরাফি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ক্রিকেট মাঠে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসা তিনি। বাংলাদেশের পেস বলের কাণ্ডারী। তাঁর শীতল চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় পায় বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যানরা। তিনি বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এবার সাকিবের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হলেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর এক সূত্র খবরটি নিশ্চিত করেছে। প্রথম বার ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রসের (আইসিআরসি) আয়োজনে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছা দূত হন মাশরাফি।

কেউ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নাম জানে, কিন্তু মাশরাফির নাম জানে না, এটা অকল্পনীয়। ২০০১ সালে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেই তৎকালীন জাতীয় দলের কোচের নজর কাড়েন, এবং জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চড়ান। সেই থেকে আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ৩১ বছরের এই যুবক জীবনের দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্রিকেট জীবনে বাংলাদেশ দলকে অনেক কিছু দিয়েছেন। একের পর এক ইনজুরি হয়তো তাঁর ক্যারিয়ারকে দীর্ঘায়িত ও সাফল্যমণ্ডিত করার পথে বাধা দিয়েছে, কিন্তু তাঁর প্রতিভার পথে প্রতিবন্ধক হয়ে উঠতে পারেনি।

শারীরিক চোটকে প্রতিবার কাটিয়ে উঠে তিনি ফিরে এসেছেন উজ্জীবিত হয়ে, নতুন রূপে, আরো ভয়ংকর এবং বিধ্বংসী হয়ে। একই পায়ে যখন অষ্টমবারের মতো অস্ত্রোপচার করার জন্য তাঁকে অস্ট্রেলিয়া যেতে হয়, তখন তাঁর চিকিৎসাদাতা ডাক্তার নিজেই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সকল প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বারবার ফিরে এসেছেন দেশের টানে, গায়ে জড়িয়েছেন লাল সবুজের জার্সি, দলকে দেখিয়েছেন জয়ের পথ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

sixteen − 4 =