জুনের শুরুতে ঢাকায় আসছেন মোদী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

bangla india land map CoB_Tinbighaভারতের রাজ্যসভা ও লোকসভা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদনের পর ভারতের  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সম্ভাবনা অনেকটা নিশ্চিত। জুনের শুরুতে কয়েক দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন তিনি। দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এ সফর আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। স্থলসীমান্ত বিল পাস হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কংগ্রেসের সভানেত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং লোকসভার সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি বলেন, মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি মে মাসে সই হয়েছিল। এ বিলটিও মে মাসে পাস হলো। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু, ভবিষ্যতেও এ বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। সীমান্ত বিল পাস হওয়ায় এখন মোদির সফর আয়োজনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হলো।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চলছে। সহযোগিতাকে আরও নিবিড় করতে এবার প্রথমবারের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হবে।  কুমুদিনী ট্রাস্টের একটি পানি প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের সাথে নতুন প্রকল্প চুক্তির সূচনা হবে।

দিল্লির পক্ষ থেকে কয়েক মাস আগেই মোদির ঢাকা সফর আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢাকা সফরে অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যায়, তিস্তা চুক্তির জট সহজে খুলছে না। সুরাহা হচ্ছিল না সীমান্ত চুক্তিও। দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও জুন মাসেই সফর আয়োজনে দুই দেশের প্রাথমিক সম্মতি ছিল।
গত মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের সঙ্গে তাঁর দপ্তরে দেখা করেন ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ সরন। প্রায় দেড় ঘণ্টার আলোচনায় মোদির ঢাকা সফরের প্রস্তুতি নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢাকার কূটনীতিকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ক বিশেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মোদির ঢাকা সফরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে উষ্ণতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও জুনের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের প্রস্তুতি চলছে।

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন, অভ্যন্তরীণ নৌ প্রটোকল নবায়ন, সামুদ্রিক অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ মোকাবিলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, দুই দেশের মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি চলছে। নতুন একটি ঋণচুক্তি সইয়ের কথাও রয়েছে। বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে ভারতকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্দিষ্ট করে দেওয়ার বিষয়ে ও আলোচনা হবে বলে সূত্রে প্রকাশ ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 × 1 =