জয়ের অপহরণ চক্রান্তে জড়িত শফিক রেহমান এবং মাহমুদুর রহমান?

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘সরকারের বিরুদ্ধে লেখার জন্য শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে’ বিএনপির এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন,“সুনির্দিষ্ট অভিযোগেই শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপি নেতার পুত্র রিজভী আহমেদ সিজার সেদেশে প্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়ের ব্যক্তিগত তথ্য চেয়ে এফবিআই’র দুই কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়েছেন এমন তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণিত হয়। জয়কে অপহরণের হীন উদ্দেশ্যে এই অপরাধীদের সাথে বাংলাদেশী ৩ জনের সম্পৃক্ততা নিয়ে ২০১৩ সালের ৪ আগষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংবাদ সংস্থা সিএনএন একটি প্রতিবেদন ও প্রকাশ করে।(http://edition.cnn.com/2013/08/03/justice/ex-fbi-arrest/)

২০১৫ সালে বিএনপি কর্মী সিজারকে দণ্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের দেয়া রায়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলের ক্ষতি করার লক্ষ্যে তার ব্যক্তিগত তথ্য পেতে চেয়েছিলেন আসামি। তথ্য পাওয়ার পর তা বাংলাদেশি ‘একজন সাংবাদিককে’ সরবরাহ করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের অপহরণ চক্রান্তে সম্পৃক্ত শফিক রেহমান এবং মাহমুদুর রহমান।যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিএনপি নেতার পুত্রের সাথে বাংলাদেশের তিনজন জড়িত থাকার কথা নিশ্চিত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশে দায়ের করা মামলায় বিএনপির উপদেষ্টা শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের পরদিন রোববার ধানমণ্ডির বিলিয়া মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মুহম্মদ মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি’র মুখপত্র দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে  এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এ কারণে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

সেই রায়ের পর জয়কে অপহরণের চক্রান্তের অভিযোগ তুলে ঢাকার পল্টন থানায় পুলিশ একটি মামলা করে, সেই মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জয়ের প্রাণনাশে যুক্তরাষ্ট্রের চক্রান্তকারীদের সঙ্গে শফিক রেহমানসহ দুই-তিনজনের যোগাযোগ ছিল জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তাদের সঙ্গে কথোপকথন হয়েছে, এমন দুই/তিনজন বাংলাদেশের ভেতরে ছিলেন।

“তাদের মধ্যে আমরা অনুমান করছি, কথোপকথনের জের ধরে শফিক রেহমানের সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ ছিল। সেই জন্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।”
বাকি দু’জন কারা- জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, “একজনকে হয়ত জানেন, একটি পত্রিকার সম্পাদক, তিনি কারা অন্তরীণ রয়েছেন। অন্য ব্যক্তির ব্যাপারে সময়মতো জানতে পারবেন”  বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

two + 19 =