তিস্তা প্রশ্নে সুষ্ঠু সমাধানে আত্মবিশ্বাসী মোদি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

hasina modiভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ভারত সরকারের প্রাদেশিক সরকারের সহযোগিতায় তিস্তা এবং ফেনী নদীর সুষ্ঠু সমাধানের বিষয়ে আত্মপ্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং খনন ও নদী পরিষ্কার রাখার বিষয়ে একত্রে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা কেবলমাত্র প্রতিবেশী নই … আমরা ইতিহাস, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা এবং ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসার জন্য একই বন্ধনে আবদ্ধ।’ মোদি বলেন, ভারতীয় সংসদে স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদিত হওয়া থেকেই বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক স্পষ্ট হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিতে আমরা একত্রে কাজ করবো। বন্ধুত্ব এবং উভয় দেশে আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে আমরা আমাদের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবো… আমাদের চুক্তি এটারই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ভারত সরকারের প্রাদেশিক সরকারের সহযোগিতায় তিস্তা এবং ফেনী নদীর বিষয়ে আমরা একটা সুষ্ঠু সমাধানে পৌঁছতে পারবো বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। ভারতীয় অর্থনৈতিক জোন বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগকে ত্বরান্বিত করবে। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ভারত সবকিছু করবে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগের ফলে সীমান্তসহ উভয় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আরো সাহায্য করবে। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব নতুন মাত্রায় পৌঁছাচ্ছে। ৮০০ মিলিয়ন ডলারে চুক্তি বাস্তবায়ন এবং ২০০ মিলিয়ন ডলারে পুরোপুরি ছাড়ের ফলে আমাদের সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে।

একই সঙ্গে খনন এবং আমাদের নদীগুলোকে পরিষ্কার রাখার জন্যও আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের ঢাকা সফরকালে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন ।

এর আগে ঢাকা-দিল্লী প্রতিনিধিদলের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং পরিবহন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে মোদি বলেন, এটা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে অবকাঠামো এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আরও ২০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে পেরে ভারত আনন্দিত। নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অনৈতিক কার্যক্রম প্রতিরোধে একত্রিত হয়ে কাজ করা ও মানব পাচার বিরোধী কাজ করতে ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশেরই রাজনৈতিক ইচ্ছা আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, এখানকার জনগণ তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করায় বাংলাদেশে প্রথম সফরটি তার জন্য বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

seventeen + four =