দুর্নীতির দুই মামলায় তিন শর্তে জামিন পেলেন খালেদা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতির দুই মামলায়-  বিদেশ গেলে আদালতকে জানাতে হবে, এক লাখ টাকার মুচলেকা ও দুইজন জামিনদার – এই তিন শর্তে জামিন পেলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার বকশীবাজারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে  ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। তিনমাস লন্ডনে অবস্থানের পর বুধবার বিকেলে দেশে ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন । মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার দু’বছর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এই দুই মামলার আসামী  খালেদা জিয়া   এর আগে আদালতের সমন অগ্রাহ্য করে  হাজিরা না দেয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুর্নীতির দুই মামলায়  জামিন চাইবার জন্যে বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে বকশীবাজার  ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া লন্ডনে থাকা অবস্থায় ঢাকা ও কুমিল্লার নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে ৫টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

seventeen − 7 =