দ্রুত বাড়ি পরিষ্কারের ৯ কৌশল

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Natural Ingrediantsঝকঝকে বাড়ি সুস্থ পরিবারের জন্য অপরিহার্য। অপরিষ্বিকার বাড়িতে পোকামাকড়ের উৎসব হয়। এতে নানান রকমের রোগে আক্রান্ত হবার আশংকা থাকে। বিদেশে ব্যস্ততার জন্যে যারা বাড়ি পরিষ্কার করতে পারেন না, তাদের সুবিধার জন্যে  বাড়ি পরিষ্কার করানোর প্রফেশনাল টীম থাকে।বাংলাদেশে এখনো সেরকম টীম গড়ে ওঠে নি। নিজের চেষ্টাতেই বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব। তবে যারা পেশাগত কাজে ব্যস্ততার জন্যে বাড়ি পরিশষ্কারনে সময় দিতে পারেন না, দ্রুততম সময়ে ঘর পরিষ্কার করতে চান যারা- তাদের জন্যে তুলে ধরা হলো কয়েকটি কৌশল। যা অনুসরণ করলে দৈনন্দিন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।Insects

১) ঘর পরিষ্কার করার আগে শুরুতেই ঘর থেকে অপ্রয়োজনীয় সবকিছু সরিয়ে ফেলেন। ময়লা সব সরিয়ে ফেলেন, বিছানার চাদর, বালিশের কভার, তোয়ালে, বাথরুমে থাকা বিভিন্ন বোতল এবং কন্টেইনার সরিয়ে ফেলেন। এগুলো সরিয়ে ফেললে ঘর পরিষ্কারের কাজটা সহজ হয়ে যায়।
২) ঝাড়পোঁছ করার কাপড় রাখতে হবে।কোনো কিছু পরিষ্কার করতে হলে ব্যবহার করুন একশভাগ সুতি কাপড়। পুরনো বালিশের কভার বা টি-শার্ট এক্ষেত্রে কার্যকর। কখনোই ব্যবহার করবেন না টেরিক্লথ অথবা পলিয়েস্টার। এগুলো বরং আরও বেশি ময়লা সৃষ্টি করে।Dining

৩) পর্দাগুলো ঝেড়ে ফেলুন আগে।ঘর ঝাড়পোঁছ করার সময়ে একটা ছোট তোয়ালে দিয়ে জোরে বাড়ি দিন পর্দায়। এতে পর্দা থেকে ধুলো চলে যাবে, সহজে ময়লা হবে না। এরপরে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করতে হবে।Girl cleaner

৪) ঘর মোছার আগে ঝেড়ে নেয়া।সব সময়ে আগে ঘর ভ্যাকুয়াম করে নেবেন অথবা ঝাড়ু দিয়ে নেবেন। তার পর ঘর মুছতে পারেন। এর মূল কারণ হলো চুল। মেঝেতে চুল পোড়ে থাকলে তা ঝাড়ু দিয়ে সরিয়ে নিতে হবে। ভেজা চুল মেঝে থেকে পরিষ্কার করা খুবই ঝামেলার ব্যাপার। ঘরের কোনা থেকে শুরু করে দরজা পর্যন্ত মুছতে হবে।

৫) সবার শেষে বাথরুম পরিষ্কার করতে হবে।বেডরুম পরিষ্কার করা শেষ হলে তবেই বাথরুম পরিষ্কার করতে যান। কারণ বাথরুম আগে পরিষ্কার করে অন্যত্র পরিষ্কার করতে গেলে জীবাণু ছড়াবে সারা ঘরে। আরও মনে রাখুন, কাজ শুরুর সময়ে ওপরের জিনিসগুলো আগে পরিষ্কার করুন, এরপর নিচের জিনিস এবং ফ্লোর পরিষ্কার করবেন।Cleaning equip01

৭) ভ্যাকুয়াম ক্লিনার যারা ব্যবহার করবেন, তাদের জন্যে- ঘরে ঢোকার সময়ে ভ্যাকুয়াম করতে করতে ঢুকুন এবং বের হবার সময়েও ভ্যাকুয়াম চালিয়ে নিয়ে যান। এতে যে জায়গাগুলো বেশি ময়লা হয় সেগুলো দু’বার করে পরিষ্কার হবে।

৮) সবচাইতে ভালো ক্লিনার আছে রান্নাঘরেই। কোনো নামীদামী ব্র্যান্ডের ক্লিনার নয়। সাদা সিরকা এবং পানির একটি মিশ্রণ হলো তাদের সবচাইতে কার্যকরী পরিষ্কার করার উপাদান। অন্যান্য ক্লিনারের ফেলা দাগও এটা মুছে ফেলতে সক্ষম। একটি স্প্রে বোতলে এক ভাগ ভিনেগার এবং তিন ভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

Kitchen৯) হাতের কাছে রাখুন পুরনো টুথব্রাশ। মাঝে মাঝে ঘরের কোনায়, টাইলসের ফাঁকে বা এমন কোনো সূক্ষ্ম জায়গায় ময়লা জমে যায় যা সহজে পরিষ্কার করা যায় না। এসব ক্ষেত্রে পুরনো একটি টুথব্রাশ আপনার কাজে আসবে।

১০) পরিষ্কার করার সব জিনিস রাখুন একসাথে।হাউজকিপারদের সব মোছামুছির প্রোডাক্ট, ব্রাশ, ভ্যাকুয়াম একসাথে একটি ট্রলিতে থাকে যাতে তারা দরকারের জিনিসটা হাতের কাছেই পান। এ কাজটি আপনিও করতে পারেন। একটি বালতিতে সবকিছু একসাথে রাখতে পারেন। এতে কাজ হয়ে যাবে সহজ এবং সময় লাগবেও কম।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

twenty − seventeen =