“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার ”- প্রধানমন্ত্রী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

hasina 2 May 2015“বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ তাদের অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।” বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।  ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা নতুন করে বৌদ্ধ বিহার তৈরি করে দিয়েছি। এতে করে আপনাদের উপর যে অন্যায় আক্রমণ করা হয়েছে , তার বেদনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়েছে।” অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। hasina-1111-290x179

গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা দক্ষিণ, উত্তর ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে বেলা ১২টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। শনিবার বিকালে গণভবনে ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচন ঘিরে বিএনপির হয়তো ‘আরো খারাপ উদ্দেশ্য’ ছিল ,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকায় সেটা সম্ভব  হয়নি বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাদের (বিএনপি) হয়তো আরো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো তৎপর ছিল।”

সম্প্রতি মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথে সাদেক হোসেন খোকা এবং জনৈক সেনা কর্মকর্তার টেলিফোন সংলাপ ফাঁস হওয়া তথ্য মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ” সেই জন্য তারা আরো কয়েকটি ‘লাশ ফেলে ‘ নির্বাচন প্রত্যাহার করে নাই।” ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট না থাকার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “আন্দোলনের মাঠে যা করল, নির্বাচন করতে এসেও তাই করল।উনারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, ঘোষণা দিয়ে সব কিছু করল, কিন্তু তারা মাঠে নেই। তাদের প্রতিনিধি নাই, এজেন্ট নাই, কিছুই নাই। “তিন ঘণ্টা পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করল।”

৫ জানুয়ারি থেকে বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রায় তিন মাসের বেশি সময়ের অবরোধ ও হরতালে গাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, অগ্নিসংযোগ ও হাতবোমা বিস্ফোরণসহ নাশকতার নানা ঘটনায় শতাধিক সাধারণ মানুষের প্রাণহানির কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “মানুষের কত মানসিক বিকৃতি হলে এই ধরনের ঘটনা ঘটায়। আন্দোলন ডেকে উনারা ঘরে বসে আছে। মাঠে কেউ নাই। চোরাগোপ্তা ককটেল মারছে, আগুন দিয়ে পোড়াচ্ছে। মানুষ হত্যা করাই তাদের একমাত্র কাজ।”

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

four × one =