‘ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তীকে হত্যা’:ঘাতক জামাল ও আনিছুর গ্রেফতার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাঁদপুরে স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তীর চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জামাল হোসেন (২৮) ও আনিছুর রহমান (৩২) নামের দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রোববার বিকেলে চাঁদপুর পুলিশ ব্যুরো অব-ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন।

উল্লেখ্য, জয়ন্তী চক্রবর্তী চাঁদপুর শহরের ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। গত ২১ জুলাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে নিজ বাসায় তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘ঘটনার দিন শহরের ষোলঘর পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্টাফ কোয়ার্টারে শিক্ষিকা জয়ন্তী চক্রবর্তী তার বাসায় একা অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই এলাকার ডিশ ক্যাবলের লাইনম্যান জামাল হোসেন ও ডিশ লাইনের মালিক আনিছুর রহমান মাদক সেবন করে সুকৌশলে ডিশের তার ঠিক করার কথা বলে জয়ন্তীর রুমে প্রবেশ করে। এ সময় তারা উভয়ই তাকে ধর্ষণ করে এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ধারালো ছুরি দিয়ে জয়ন্তী চক্রবর্তীর গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদেরকে আটক করতে সমর্থ হয় পিবিআই পুলিশ। তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আসামি জামাল হোসেন পুলিশের কাছে কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তাতে হত্যাকাণ্ডে তার নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে এবং তার সহযোগী আনিছুর রহমানের কথাও বলেছে। তারা জয়ন্তী চক্রবর্তীকে পাশবিক নির্যাতন করেছে-এ বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তারা তাকে হত্যা করেছে।’

চাঁদপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কার্যালয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শংকর কুমার দাস, ইন্সেপেক্টর কবির আহমদ, মীর মাহবুবুর রহমান, মো. বাচ্চু মিয়া, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শহীদ পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর প্রমুখ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 12 =