নব্য জেএমবি আমীর ‘দাদা মুকুল’ জামায়াত নেতা সারোয়ার: উত্তরবঙ্গে জঙ্গীদের ‘সেফ জোন’ করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নব্য জেএমবি আমির সারোয়ার জাহান ওরফে আব্দুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াত পরিবারের সন্তান।  আশুলিয়ায় র‍্যাবের  অভিযানের সময়  ছাদ থেকে পড়ে  আহত এবং পরে হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সারোয়ার। ২০০৫ সালে দেশজুড়ে সিরিজ বোমা হামলার মামলার আসামি সারোয়ার সারা দেশের  জঙ্গী তৎপরতায় বরাবরই নেতৃত্ব দিয়েছে ।নব্য জেএমবির প্রধান সারোয়ার জাহান শিবিরের মিছিল সমাবেশে সক্রিয় ছিল এবং  বরাবরই জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত বলে  স্থানীয় জনগণ এবং পুলিশের রেকর্ডে প্রকাশ।   নব্য জেএমবি নেতা  আবদুর রহমান  সংগঠনে ‘দাদা মুকুল’ নামে পরিচিত  ছিল। তবে তার পারিবারিক নাম সারোয়ার ।এনামুল, মুক্তার, নাজমুল, সরোয়ার, বাবু, রকিবুল, প্রকাশ, মুকুল  সহ বিভিন্ন ছদ্মনামে  নিজের পরিচয় দিতো সারোয়ার।র‍্যাবের তথ্য মতে, ২০১৪ সালে সারোয়ার জাহানের হাত ধরে নব্য জেএমবির সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়।  তার নেতৃত্বে উত্তর বঙ্গে  জঙ্গীদের ‘সেফ জোন’ করার পরিকল্পনা ছিল নব্য জেএমবির জঙ্গিদের ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরের ভোলাহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল মুসরিভুজা এলাকার এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নব্য জেএমবি প্রধান আব্দুর রহমানের। তার পারিবারিক নাম সারোয়ার জাহান। পিতা আব্দুল মান্নান পেশায় দর্জি। চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় সারোয়ার।। বহু আগে থেকেই এ অঞ্চল জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, জঙ্গী সারোয়ারের পরিবার এতই দরিদ্র যে লাশ পরিবহনের জন্য আর্থিক সামর্থ্যও নেই তাদের। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সারোয়ারের পিতা আব্দুল মান্নান লাশ পরিবহনের জন্য স্থানীয় লোকজন ও মসজিদে সাহায্য প্রার্থনা করেন।এ ব্যাপারে ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহাসিন আলী  বলেন, ‘নিহত সারোয়ার জেএমবির তালিকাভুক্ত সদস্য ছিল। তার পরিবারও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সারোয়ার চাঁপাইনবাবগঞ্জে যখন ছিল তখন শিবিরের মিছিলও করেছে।’

সারোয়ারের মা সালেহা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছেলের ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমার ছেলের মুখ আমি দেখতে চাই। তার লাশটা পেতে চাই।’সারোয়ারের পিতা আব্দুল মান্নান  দাবি করেন  অনেক দিন সারোয়ারের সাথে তাদের যোগাযোগ ছিল না। তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তারা কিছু জানতেননা।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া রাজশাহী গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী নাফিস আহমেদ নয়ন ও হাসিবুল হাসান সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে র‍্যাব। তাদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রকৌশলী নাফিস  রাজশাহীর সরকারি অফিসে বসেই জঙ্গি তৎপরতা চালাতেন। অর্থদাতা ও অর্থ সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার সারোয়ার জাহানের এই দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে আশুলিয়ায় ৮ অক্টোবরের অভিযানের পর করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রবিবার তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চাইবেন বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে আনলে তাঁদের কাছ থেকে আরো অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। তবে তাঁরা যে বিভিন্ন সময় নব্য জেএমবিকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছেন তার প্রমাণ আমরা ইতিমধ্যেই পেয়েছি। বিশেষ করে নব্য জেএমবির প্রধান সারোয়ারের সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।’

স্বজনরা জানিয়েছেন, পরিবার থেকে ১৬ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন ছিলেন আব্দুর রহমান । দীর্ঘদিন তার খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ ছিল আব্দুর রহমান হয়তো আর কখনো ফিরবেন না। এরপর আশুলিয়ায় কথিত জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে একজন নিহত হওয়ার পর পরিবার ঘটনা জানতে পারে।আশুলিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে সারোয়ার মারা যাওয়ার পর তার পরিচয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। র‍্যাবের পক্ষ থেকে সিরিজ হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে সারোয়ারের নাম উল্লেখ করার পর স্থানীয়রা বলছে, ‘আগে থেকে সে জঙ্গী ছিল। আমাদের এলাকা তার জন্য আজ কলঙ্কিত হয়েছে।’

 সারোয়ারের  নেতৃত্বে বগুড়া, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও লালমনিরহাটের চরাঞ্চলে প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যথার্থ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল নব্য জেএমবির। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির দুজন এবং আশুলিয়ার সারোয়ার জাহানের আস্তানা থেকে উদ্ধার করা আলামত বিশ্লেষণ করে এমনই মন্তব্য করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, সেখান থেকেই ক্রমান্বয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ছক এঁকেছিল তারা। ঘাঁটি তৈরির জন্য তারা সব ধরনের রসদও সংগ্রহ করেছিল।

গত ৮ অক্টোবর আশুলিয়ার ঘটনার পর আব্দুর রহমানের বাসা থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা, অস্ত্র, গোলাবারুদসহ সাংগঠনিক অনেক নথি উদ্ধার করে র‍্যাব। পরে তার পাসপোর্টের সূত্র ধরে র‍্যাব নিশ্চিত হয়, আব্দুর রহমানের প্রকৃত নাম সারোয়ার জাহান।

এদিকে আটক প্রকৌশলী নাফিস সম্পর্কে তাঁর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের হাত ধরে নব্য জেএমবিতে যোগ দেন নাফিস। সংগঠনটির তহবিলে পাঁচ লাখ টাকাও দেন। কয়েক দিনের মধ্যে আরো পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল নাফিসের। তবে তার আগেই বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাবের জালে ধরা পড়ে যান নাফিস।
সারোয়ারের বড় ভাই কামরুজ্জামান  বলেন, সারোয়ারের লাশও আমরা নিতে চাই না  । তিনি জানান,  সারোয়ারের দুই বউয়ের একজনকেও কখনও পরিবারের অন্য সদস্যরা দেখেনি। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এক পক্ষের তিন সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সে সাভারে থাকত। তার সঙ্গে পরিবারের অন্য কারও তেমন যোগাযোগ ছিল না।

মোবাইল ফোনে আলাপের সূত্র ধরে ২০০৯ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের শাহনাজ আক্তার রুমিকে বিয়ে করে নব্য জেএমবির কথিত প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল হানিফ ওরফে আবদুর রহমান ওরফে সারোয়ার জাহান।  শাহনাজ টাঙ্গাইলে তার ভাইয়ের কাছে ছিলেন তখন। সারোয়ার ও শাহনাজের বিয়েও হয় সেখানে। বিয়ের সময় নিজেকে মোক্তারুল পরিচয় দেয় সারোয়ার। এরপর ৭ বছর ধরে নিজের প্রকৃত পরিচয় স্ত্রীর কাছে গোপন রেখেছিল সে। এ সময়ে একবারের জন্যও স্ত্রীকে নিজের গ্রামের বাড়িতে নেয়নি সারোয়ার। শাহনাজকে কখনও মোবাইল ফোনে কথা বলতেও দিত না। এমনকি বাড়িতে নিজের ‘ব্যক্তিগত’ কক্ষেও স্ত্রীকে যেতে দিত না  সারোয়ার।
নব্য জেএমবির আমির সারোয়ার তার  প্রথম স্ত্রী পারভীনকে তালাক দিয়ে ২০০৯ সালে শাহনাজকে বিয়ে করে। প্রথম স্ত্রীর দুই সন্তান রয়েছে।  শাহনাজ আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা, চার বছরের এক পুত্র রয়েছে তার । বিয়ের পর তাকে  কিছু দিন টাঙ্গাইলে রেখে সারোয়ার রংপুরে চলে যায়। সেখানে কালোজিরা ও মধু বিক্রি করতো বলে শাহনাজকে বলেছে। সাভারে আসার পর  একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেওয়ার কথা জানায় শাহনাজকে। মাঝে মাঝে ২-৩ দিনের জন্য সে বাসা থেকে উধাও হয়ে যেত সারোয়ার। এ ব্যাপারে শাহনাজ জানতে চাইলে বলত, অফিসের কাজে মাঝে মাঝে বাসার বাইরে থাকতে হয়।

৮ অক্টোবর র‍্যাব আশুলিয়ায় অভিযান চালানোর পর সেই বাসার পাঁচতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে সারোয়ার। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আবদুর রহমান ওরফে সারোয়ার জাহান। সেই বাসা থেকে শাহনাজকে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছে স্বামীর প্রকৃত পরিচয় ও জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন শাহনাজ। তাকে আটকের ১৩ দিনের মাথায় গত শুক্রবার র‌্যাব নব্য জেএমবির আমির সারোয়ারের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করে।

সারোয়ার প্রকৃত নাম-পরিচয় গোপন করে কীভাবে এমআরপি পাসপোর্ট পেল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা। আবদুর রহমান নামে ভুয়া নাম-পরিচয়ে নেওয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সও করেছে সারোয়ার। ‘নাজমুল হোসেন’ নামে আরেকটি ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে তার। সেখানে বাবার নাম বলা হয়, ‘মৃত খয়বর আলী’। ‘মাহতাব হোসেন’ নামে বিআরবি কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুডের মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে সারোয়ারের আরেকটি পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। সেখানে তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা উল্লেখ করা হয়েছে। বাবার নাম আবদুল্লাহ, মা রাজিয়া খাতুন লখা হয়েছে সেই পরিচয়পত্রে । এ ঠিকানায় এমন কোন ব্যক্তির অস্তিত্ব পান নি গোয়েন্দারা। তদন্তে বেরিয়ে আসে রহমানের প্রকৃত নাম সারোয়ার জাহান। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলারহাটের মুসরিভুজা গ্রামে। র‌্যাবের দাবি, তার নেতৃত্বে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁ, ঢাকা ও রংপুরে দুই বিদেশি নাগরিক হত্যাসহ অন্তত ২৪টি হামলা চালানো হয়েছে। সে নব্য জেএমবির অর্থের সমন্বয়কারীও ছিল।

সূত্রমতে, ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের আগে ৩ জঙ্গি নেতার সঙ্গে দফায় দফায় মোবাইল ফোনের বিশেষ অ্যাপসের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল নব্য ধারার জেএমবির শীর্ষ নেতা তামিম চৌধুরী। তারা হলো- সারোয়ার জাহান, তানভীর কাদেরী ও মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম।  নব্য জেএমবির আমির সারোয়ারসহ অন্য শীর্ষ নেতাদের কয়েকজন ‘আধ্যাত্মিক’ গুরু রয়েছে, যাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  জানান, নাফিস অনেকটা সময় একাই অফিসে থাকতেন। অফিসে বসে কম্পিউটারে সময় কাটাতেন। কারো সঙ্গে তেমন মিশতেন না। অনেকটা সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। গত ১১ অক্টোবর যেদিন নাফিস আটক হন, সেদিন শনিবার অফিস বন্ধ থাকলেও তিনি সন্ধ্যার পরেও অফিসে বসে কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। কাজ পেন্ডিং (পড়ে) আছে বলে ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে অফিসে প্রবেশ করেন নাফিস। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কাজ শেষে অফিস থেকে বের হওয়ার পরপরই র‍্যাব সদস্যরা তাঁকে আটক করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এর পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন নাফিস। এ ঘটনার পরে ওই দিনই নাফিসের বাবা আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে নগরীর রাজপাড়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। আব্দুল মান্নানের বাড়ি নগরীর বালিয়া পুকুর ছোট বটতলা এলাকায়। নাফিস বাবার বাড়িতেই থাকতেন। তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

নাফিসের ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, নব্য জেএমবির অর্থদাতা নিখোঁজ ডা. রোকন উদ্দিন নাফিসের চাচাতো ভাই। সেই আত্মীয়তার সূত্র ধরেই নাফিস জেএমবির তহবিলে অর্থ প্রদান করেন। পুলিশের আরেকটি সূত্র বলছে, গত ৮ অক্টোবর ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযানে নিহত আবদুর রহমানও প্রকৌশলী নাফিসের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের রাজশাহীর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী লতিফুল ইসলাম বলেন, ‘নাফিসকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। তার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা জানতে পারার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী নির্দেশনা আসার পরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ গ্রেপ্তার কৃত আরেক জঙ্গী হাসিবুল হাসান রাজশাহী গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন প্রকৌশলী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 × 2 =