পঞ্চগড়ে গলা কেটে মঠাধ্যক্ষকে হত্যা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া সেতুর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত সন্তগৌরীয় মঠের অধ্যক্ষ মহারাজ যজ্ঞেশ্বর রায়কে (৫০) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার সহকারী গোপাল চন্দ্র রায়কেও গুলি করা হয়।

আজ রোববার সকাল সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

দেবীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, সকাল সাতটায় গৌড়ীয় মঠে প্রভাতকালীন পূজা প্রস্তুতির সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ মন্দিরে ঢুকে যজ্ঞেশ্বর রায়ের ওপর আক্রমণ করে।

তিনি জানান, দুর্বৃত্তরা এই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে অধ্যক্ষকে কোপায়। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। অধ্যক্ষের ওপর আক্রমণের সময় মহারাজের সহকারী গোপাল চন্দ্র রায় (৩৫) বেরিয়ে এলে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

গুলিবিদ্ধ গোপাল চন্দ্র রায়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মহারাজ যজ্ঞেশ্বর রায়ের লাশ পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

পঞ্চগড়ের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. কফিলউদ্দিন ঘটনাস্থলে রয়েছেন। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।

panchagarh-editedপ্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নিহত মহারাজ যজ্ঞেশ্বর রায়ের ভাই রবীন্দ্রনাথ রায় ও পঞ্চগড়ের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. কফিলউদ্দিন বলেন, সকালবেলা কয়েকজন দুর্বৃত্ত মঠে হামলা চালায়। তারা মঠ সংলগ্ন একটি বাড়ির বারান্দায় অধ্যক্ষ মহারাজ যজ্ঞেশ্বর রায়কে গলা কেটে হত্যা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা গোপাল চন্দ্র রায়কেও গুলি করা হয়।

হত্যার পর আনুমানিক তিনজন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পালানোর আগে তাঁরা কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিস্ফোরক অবিস্ফোরিত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, ১৯৯৮ সালে মঠটি প্রতিষ্ঠিত। মহারাজ যজ্ঞেশ্বর রায় মঠের প্রতিষ্ঠাতা, এবং প্রতিষ্ঠাকাল থেকে তিনিই মঠের অধ্যক্ষ হিসেবে আছেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 × 1 =