পাওয়া গেল ইউএস-বাংলার বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাকবক্স

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নেপালে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসস্তুপ থেকে ইউএস-বাংলার বিধ্বস্ত বিমানেরফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার বা ব্ল্যাকবক্স খুঁজে পাওয়া গেছে। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এদিকে বিমান দুর্ঘটনাটি কী কারণে হয়েছে এ নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরষ্পরের দিকে আঙ্গুল তুলছে। নেপালি কর্তৃপক্ষ বলছে, ফ্লাইট ২১১কে রানওয়ের দক্ষিণ দিক থেকে অবতরণ করতে বলা হলেও পাইলট উত্তর দিক থেকে অবতরণ করে।
তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নেপালি কর্তৃপক্ষের দাবি অস্বীকার করে বলেছে, কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে পাইলটকে ভুল নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

তবে এই জট খুব তাড়াতাড়িই খুলে যাবে। কেননা বিমানের ‘ব্ল্যাকবক্স’ উদ্ধার করা গেছে। আর এর মাধ্যমেই জানা যাবে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আসল কারণ।
বক্সটিতে দুই ধরনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। একটি হল- ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার বা এফডিআর। যেটি বিমানের ওড়া, ওঠানামা, বিমানের মধ্যের তাপমাত্রা, পরিবেশ, চাপ বা তাপের পরিবর্তন, সময়, শব্দ ইত্যাদি নানা বিষয় নিজের সিস্টেমের মধ্যে রেকর্ড করে রাখে।
অন্যটি হল ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর)। এটির মাধ্যমে ককপিটের ভেতর পাইলটদের নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা, পাইলটদের সঙ্গে বিমানের অন্য ক্রুদের কথা, ককপিটের সঙ্গে এয়ার কন্ট্রোল ট্রাফিক বা বিভিন্ন বিমানবন্দরের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগের কথা রেকর্ড হতে থাকে। ফলে কোনো বিমান দুর্ঘটনায় পড়লে এই ব্ল্যাকবক্সটি খুঁজে বের করাই হয়ে পড়ে উদ্ধারকারীদের প্রধান লক্ষ্য। কারণ এটি পাওয়া গেলে সহজেই ওই দুর্ঘটনার কারণ বের করা সম্ভব হয়।
ত্রিভুবন এয়ারপোর্টের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রি জানান, আমরা ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডারটিকে নিরাপদ জায়গায় রেখেছি।’ তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ছয় সদস্যের এ তদন্ত দলটি এরই মধ্যে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে।
রয়টার্স আরও জানায়, তদন্ত কাজে সহযোগিতার জন্য বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির কানাডিয়ান নির্মাতা কোম্পানি বম্বারডিয়ার একজন এয়ার সেফটি ইনভেস্টিগেটর ও একজন ফিল্ড সার্ভিস রিপ্রেজেন্টেটিভ পাঠিয়েছে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

twenty − sixteen =