পৃথক দুইটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে আফগানিস্তানে ৮ সাংবাদিক সহ ২৯ মৃত, অন্যত্র ১১জন শিশু নিহত

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোমবার সকালেই পরপর দুটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল। মৃত ২৯, জখম হয়েছেন ৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে এএফপি–র মুখ্য চিত্র সাংবাদিক শাহ মারাই সহ মোট ৮ জন সাংবাদিকের। জখমদের ওয়াজির আকবর হাসপাতাল এবং ইমার্জেন্সি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আফগান স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় সূত্রে এখবর জানানো হয়েছে।কাবুলের পুলিস প্রধান দাউদ আমিন বলেছেন, শহরের শাসদারাক অঞ্চলে আফগান গোয়েন্দা বিভাগের সদর দপ্তরের সামনে এক বাইচালক নিজেকে উড়িয়ে দিলে প্রথম বিস্ফোরণ হয়।  বিস্ফোরণের পর পুলিস এবং সাংবাদিকরা সেখানে ভিড় করলে, তাঁদের লক্ষ্য করেই দ্বিতীয় আত্মঘাতী বিস্ফোরণটি হয়। ফলে দ্বিতীয় বিস্ফোরণে হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই সাংবাদিক, চিত্র সাংবাদিক এবং পুলিসকর্মী। হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।

অন্যদিকে, বিদেশি সেনা কনভয়ের ওপর আত্মঘাতী হামলা হওয়ায় ১১ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের দক্ষিণে কান্দাহার এলাকায়। সোমবার এই আত্মঘাতী হামলায় গোটা কান্দাহার এলাকা কেঁপে ওঠে। কিন্তু এত সতর্কতা সত্ত্বেও কি করে এই আত্মঘাতী হামলা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। এই হামলার দায় স্বীকার এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন করেনি। তাতে আরও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কান্দাহার অঞ্চলের পুলিসের মুখপাত্র কাশিম আফগান বলেন, এই হামলায় ১৬ জন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিদেশি ও আফগান বাহিনী গুরুতর জখম হয়েছেন। আত্মঘাতী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে এই ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে কান্দাহার রাজ্যপালের মুখপাত্র আজিজ আহমেদ আজিজি জানান, ১১ জন শিশুর নিহতের পাশাপাশি ৫জন রোমের সেনা ও দু’‌জন আফগান পুলিস জখম হয়েছেন। রোম সেনাদের দায়িত্ব থাকে কান্দাহার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দেওয়া।
এই আত্মঘাতী হামলার আগে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জোড়া আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানে মোট ২৯ জন নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে আটজন সাংবাদিক ছিল বলে খবর। এই হামলার অবশ্য দায় স্বীকার করেছে আইএস জঙ্গি সংগঠন। সোমবার পরপর আত্মঘাতী হামলায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে গোটা আফগানিস্তান বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + six =