ফাইনালের দিকে বাংলাদেশ, শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে আফগানিস্তানের নতি স্বীকার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এশিয়া কাপে টিকে থাকল বাংলাদেশ। সুপার ফোর পর্বে টানা দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে আফগানদের বিদায় নিশ্চিত হলো। দুই ম্যাচ জিতে ভারত ফাইনালে পা দিয়ে রেখেছে। একটি করে জয় এখন বাংলাদেশ-পাকিস্তানের। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে এই দুই দলের ম্যাচেই নির্ধারিত হবে এক ফাইনালিস্ট।সামনে পাকিস্তানকে হারাতে পারলে ভারতের সঙ্গে ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশকে হারাতে শেষ ওভারে ৮ রান প্রয়োজন ছিল আফগানদের। উইকেট ছিল ৬টি। কিন্তু মোস্তাফিজের কাটার জাদুতে জয় তুলে নিতে পারেনি দলটি। ফিজের কৌশলী বোলিংয়ের সামনে ৩ রানে আফগানদের আত্মসমর্পন করতে হলো।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের ইনিংসটা ছিল হঠাত্ ঝড়ে এলোমেলো হওয়া এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ প্রতিরোধে জেগে ওঠার জ্বালানিতে সমৃদ্ধ।৮৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের সপ্তমে চড়ে বসা বাংলাদেশের ত্রাতা হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ ও ইমরুল। ১২৮ রানের রেকর্ড জুটি গড়েছেন তারা যা ষষ্ঠ উইকেটে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের জুটি।

আফগান স্পিনারদের তৈরি করা চাপের দেয়াল ভেঙেছেন মাহমুদউল্লাহ। খোলস ছাড়িয়ে রানের চাকা সচল করেছেন ধীরে ধীরে। ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ৪৭তম ওভারে। খেলেছেন ৭৪ রানের (৩ চার, ২ ছয়) অসাধারণ ইনিংস।ইমরুল ক্যারিয়ারে প্রথমবার ছয় নম্বরে নেমে অনবদ্য ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ১৫তম হাফ সেঞ্চুরি। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অপরাজিত ছিলেন ৭২ রানে (৬ চার)।

ব্যাটিংয়ে শুরুতে ১৮ রানে শান্ত (৬), মিঠুনকে (১) হারিয়ে চিরাচরিত ধাক্কাটা ঠিকই এসেছিল ব্যাটিং লাইনে। তৃতীয় উইকেটে লিটন ও মুশফিকের ৬৩ রানের জুটিটা বিচ্ছিন্ন হতেই ছন্দপতনের শুরু। ১৯তম ওভারে রশিদ খানকে পরপর দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে লিটনের সম্ভাবনাময় ইনিংসটির অপমৃত্যু হয়। তিনি ৪১ রান করেন। তারপর সাকিব-মুশফিকের অপ্রত্যাশিত ‘বালকসুলভ’ ভুল বিপর্যয় ডেকে আনে। লিটনের দুই বল পর সাকিব (০) রানআউট হন, যেখানে রান নিতে রাজি ছিলেন না মুশফিক। এক ওভার পর একই কান্ডের শিকার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। এবার নন-স্ট্রাইকে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন ইমরুল। বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এদিন ওয়ানডেতে ৫ হাজার রান পূর্ণ করা মুশফিক রানআউট হন ৩৩ রানে। মাশরাফি ১০, মিরাজ ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশকে হারাতে শেষ ওভারে ৮ রান প্রয়োজন ছিল আফগানদের। উইকেট ছিল ৬টি। কিন্তু মোস্তাফিজের কাটার জাদুতে জয় তুলে নিতে পারেনি দলটি। ফিজের কৌশলী বোলিংয়ের সামনে ৩ রানে আফগানদের আত্মসমর্পন করতে হলো।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

17 − 14 =