বঙ্গবন্ধুদৌহিত্রী টিউলিপ২৩ ,৯৭৭ভোট পেয়ে আলোচিত আসনে বিজয়ী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

TULIP ON STAGE
লন্ডনের সবচেয়ে আলোচিত হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে লেবার পার্টির প্রার্থী টিউলিপ জয়ী হয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নাতনি ।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ ২৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী সায়মন মার্কাস পেয়েছেন ২২ হাজার ৮৩৯ ভোট। লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টির মাজিদ নাওয়াজ তিন হাজার ৩৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।

লন্ডনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ১০টি আসনের শীর্ষে ছিল হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন। ২৩ বছর ধরে লেবার পার্টির দখলে থাকা আসনটি ধরে রাখা টিউলিপের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। কনজারভেটিভ পার্টি এবার এই আসনটিকে ‘টার্গেট সিট’ বানায়। এসব কারণে আসনটির প্রতি গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টি ছিল ভিন্ন, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জও ছিল অন্য রকম।

হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে ১৯৯২ সাল থেকে লেবার পার্টির এমপি ছিলেন অস্কার জয়ী অভিনেত্রী গ্লেন্ডা জ্যাকসন। গত নির্বাচনে তিনি মাত্র ৪২ ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন। এবার এই ব্যবধান আরও বাড়িয়েছেন টিউলিপ। কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থীকে এক হাজার ১৩৮ ভোটের ব্যবধান হারিয়েছেন তিনি।

এই আসনে গতবার প্রধান তিনটি দলের মধ্যে লেবার পার্টি ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ, কনজারভেটিভ পার্টি ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টি ৩১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পায়। গত নির্বাচনে তিন দলের ভোট প্রাপ্তির হার বিবেচনায় এবার এখানে ‘ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ হওয়ার আভাস দেওয়া হয়েছিল। এবার লেবার পার্টি ৪৪ দশমিক ৪ শতাংশ, কনজারভেটিভ পার্টি ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটস পার্টি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

গ্লেন্ডা জ্যাকসন অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিলে লেবার পার্টির স্থানীয় সদস্যদের ভোটে হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসনে এমপি পদে লড়াইয়ের মনোনয়ন পান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ। এবারই প্রথম এমপি পদে নির্বাচন করলেন তিনি। প্রথমবারই পেলেন জয়।

লন্ডনের মিচামে জন্ম নেওয়া টিউলিপ কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৫ বছর বয়স থেকে হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্নে বসবাস করছেন তিনি। পড়েছেন এই এলাকার স্কুলে। ২০১০ সালে স্থানীয় ক্যামডেন কাউন্সিলে প্রথম বাঙালি নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

three × four =