বিরল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭ সেপ্টেম্বর:চাঁদ ১ঘণ্টা আপাদমস্তক ডুবে থাকবে অতল অন্ধকারে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পূর্ণিমায় বিরল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২৭ সেপ্টেম্বরে!

পূর্ণিমার চাঁদ ঝলসানো রুটির মতো নয়, ৩০ বছর পর এমন পূর্ণিমা আবার দেখবে বিশ্ববাসী। তবে বাংলাদেশের আকাশে তা দেখা যাবে না।

যত বেশি আলো, তত বেশি অন্ধকার!  গত ৩০ বছরে সে আর কখনও আমাদের এতটা কাছে আসেনি। তাই আর ১২ দিন পর তাকে আমরা যতটা ঝকঝকে দেখব, ততটা উজ্জ্বল আমরা তাকে গত তিন দশকে দেখিনি। আর সেদিনই সে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা আপাদমস্তক ডুবে থাকবে অতল অন্ধকারে। তার পূর্ণগ্রাস। সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে। ভারতীয় সময় রাত ৯টা ৭ মিনিট থেকে ৭টা ১১ মিনিট পর্যন্ত।

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদ-সূর্যের ‘পূর্ণগ্রাস গ্রহণ’ তো হয়েই থাকে। নাসা বলছে, কিন্তু আর ১২ দিন পর আকাশে আমরা যাকে দেখব, সেই ‘সুপার মুন’ দেখার সুযোগ আমরা পাই খুব কম। আর একই দিনে ‘সুপার মুন’ আর ‘পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ’-এর ঘটনাকে বিরলই বলা যায়। যা গত ৩০ বছরে ঘটেনি।

গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ছায়ার ‘আড়াল’ থেকে বেরিয়ে আসা চাঁদের উজ্জ্বলতা হবে নজরকাড়া। ৩০ শতাংশ বাড়বে উজ্জ্বলতা। ১৪ শতাংশ বেশি বড় দেখাবে চাঁদকে।

এর আগে একশো বছরে আমরা এই সুযোগ পেয়েছিলাম মাত্র পাঁচ বার। ১৯১০, ১৯২৮, ১৯৪৬, ১৯৬৪ আর ১৯৮২ সালে। এই সুযোগ আবার পাব ১৮ বছর পর-২০৩৩ সালে। চাঁদ কেন সব সময় এতটা ঝকঝকে হয়ে আসে না আমাদের কাছে? কারণ, পৃথিবীকে তার উপগ্রহটি চক্কর মারে একটা ডিমের মতো পথে। চারপাশে ঘুরতে-ঘুরতে কখনও চাঁদ আসে আমাদের কাছে, কখনও দূরে চলে যায়। ২৩ সেপ্টেম্বর আসবে আমাদের সবচেয়ে কাছে, যাকে বলে ‘পেরিজি’। তবে বাংলাদেশ দেখতে পাবে না এই বিরল দৃশ্য!  উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়ার অদিবাসীরা দেখতে পাবে এই বিরল দৃশ্য। ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

sixteen + fourteen =