বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পরিবার নিয়ে মিথ্যে অপপ্রচার:সোনাইমুড়িতে ইউএনও রহিমা খাতুন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

caveman7723_1285286057_1-10282_1

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযদ্ধে বীরত্বের সাথে প্রাণ উৎসর্গ করে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি অর্জন করেন রুহুল আমিন।  ১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখে খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে অধিনায়কের জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ অমান্য করে বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ।বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদ, সাত বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পাওয়াদের একজন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পরিবার নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে দীর্ঘদিন। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে  সরেজমিন তথ্য তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্যে । কিছু গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উদ্দেশ্যমূলক  অপপ্রচারের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।সম্প্রতি এলাকা পরিদর্শন করে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের কনিষ্ঠ পুত্র  মানসিক ভাবে অসুস্থ শওকত আলী এবং তার পরিবারকে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  রহিমা খাতুন।

সরকারের কাছ থেকে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন, এখনো পাচ্ছেন। প্রতি মাসে তাদের নির্দিষ্ট অংকের ভাতা দেয়া হয়। রুহুল আমিনের ছোট ছেলে শওকত আলীকে নিয়েই যতো বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার । অথচ এ ভাতার একটা অংশ তার পরিবারও পায়। অবশ্য বর্তমানে বাজারদরে তিন জনের সংসার চালানো খুব সহজ নয়; তবে তার মানে এই নয় যে, শওকত আলী দিনমজুরী করে তার সংসার খরচ চালান। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন, কোন কাজ করার ই ক্ষমতা নেই তার।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের  পাঁচ সন্তান।দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে বাহার ১৪ বছর আগে মারা যান। তার পরিবারের লোকজন সিলেটে বসবাস করছেন । ছোট ছেলে শওকত আলী (৪৪) ও তিন মেয়ে নূরজাহান বেগম (৫০), রিজিয়া বেগম (৪৭), ফাতেমা বেগম (৪৩)।এর মধ্যে তিন কন্যার সবাই স্বামী-সন্তান নিয়ে চট্টগ্রামে সরকারের বরাদ্দ দেয়া বাড়িতে বসবাস করছেন। তারা সকলেই শিক্ষিত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল।তবে, কনিষ্ঠ পুত্র শওকতের র মানসিক সমস্যা থাকার কারণে শওকতের পরিবারের দিন কাটছে অনটনের মধ্য দিয়ে। এ বিষয়ে জানতে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের বাগপাঁচড়া (রুহুল আমিন নগর) গ্রামে শওকতের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার (৩০) এবং অন্যান্যদের  সঙ্গে  কথা বলেন সংবাদকর্মীরা। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের কনিষ্ঠ পুত্র শওকত আলীকে নিয়ে কিছুদিন ধরে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করছে কোন কোন গণমাধ্যম। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শওকত আলী মানসিক ভাবে অসুস্থ। একে ব্যবহার করেই একটি চক্র মহান মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সন্তানের সন্তানকে নিয়ে এমন ঘৃণ্য অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র দীর্ঘ দিন ধরে এটি করছে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করার উদ্দেশ্যে।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের বড় মেয়ে নুরজাহান বেগমের বড় ছেলে সোহেল বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধের পক্ষের ও সরকার বিরোধী একটি ‘দুষ্ট চক্র’ আমার অসুস্থ ছোট মামাকে নিয়ে এ ঘৃণ্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন এঁর ছেলে জনাব শওকত আলী সম্পর্কে মানবজমিন পত্রিকা ও সামাজিক
মাধ্যমে প্রচারিত অপপ্রচারের পর গত ১৩ আগষ্ট বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের কনিষ্ঠ পুত্র শওকত আলীর বাড়ী পরিদর্শন
করেন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডঃ রহিমা খাতুন। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী এলাকা  পরিদর্শন করে  তিনি জানতে পারেন ,জনাব শওকত আলী ছোটকাল থেকে  মানসিকভাবে অসুস্থ। জনাব শওকত আলী প্রতিদিন  ১৫ কাপ চা এবং ২ থেকে ৪  প্যাকেট সিগারেট পান করেন।

11880626_483259381842682_8882585104148411298_n
শওকত আলীর পরিবারের সাথে ইউএনও

জনাব  শওকত আলীর  স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তিনি মাসে ৬ হাজার ৯০০ টাকা মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাস্ট থেকে ভাতা পাচ্ছেন। প্রতিমাসে ১২ কেজি চাল, ১১ কেজি আটা, ২ কেজি চিনি, ৩.৫ কেজি মসুরের ডাল, ২.৫ লিটার সয়াবিন তেল রেশন হিসেবে পাচ্ছেন। গত ২১শে নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা, ২৬শে মার্চ মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা পেয়েছেন। তার বসতঘর চার কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা ভবন। তাছাড়া
তার ৩৩শতাংশ জমি রয়েছে যা থেকে বর্গা চাষাবাদের মাধ্যমে ফসল পাচ্ছেন। চট্টগ্রামে জনাব শওকত আলীর
নামে ১টি ফ্লাট রয়েছে। তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জানান যে, জনাব শওকত আলী প্রতিদিন ১৫ কাপ চা এবং
০২ থেকে ০৪ প্যাকেট সিগারেট পান করার জন্য প্রতিদিন ২০ টাকা করে দেন।চা ও সিগারেট ক্রয়ের জন্য ২০
টাকা পর্যাপ্ত না হওয়ার কারণে জনাব শওকত আলী যে যা বলে তাই করে দেন। মেয়ের পড়াশুনার খরচ বাবদ ১০০০ টাকা,বিদ্যুৎ বিল ৭০০-৮০০ টাকা প্রতিমাসে পরিশোধ করে থাকেন।

জনাব শওকত আলীর স্ত্রী রাবেয়া আক্তার জানান, প্রতিমাসে ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পেলে তিনি সংসার যথাযথভাবে চালনা করতে পারবেন। এ তথ্য জানার পর উপজেলা প্রশাসন কিছু পদক্ষেপ নেয়।

১। তাদের সন্তানের বিদ্যালয়ে পড়াশুনা ও প্রাইভেট পড়া ফ্রি করা হয়েছে।
২। জনাব শওকত আলীর জন্য  নান্দিয়াপাড়া বাজারের ১টি  চায়ের দোকান নির্ধারন করে দেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি চা সহ বিভিন্ন খাবার ফ্রি খেতে পারবেন।
৩। নান্দিয়াপাড়া বাজারের ১টি  সিগারেটের দোকান নির্ধারন করা হয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন ২ প্যাকেট সিগারেট তার নিজ  বাড়ীতে পৌছে দেওয়া হবে।
৪। বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হয়েছে।
৫। জনাব শওকত আলীর স্ত্রী বেগম  রাবেয়া আক্তারের জন্য একটি চাকরীর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া জনাব শওকত আলী এবং তার  স্ত্রী রাবেয়া আক্তার এর যেকোন সময় যেকোন সমস্যা উপজেলা নির্বাহী
অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

রাবেয়া আক্তার  বলেন, ‘আমাদের একমাত্র মেয়ে আমেনা আক্তার বৃষ্টি (১০)। সে স্থানীয় একটি কেজি স্কুল অক্সফোর্ড মডেল একাডেমীতে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। তাকে নিয়েই আমাদের ছোট সংসার। কিন্তু অভাব-অনটনকে সঙ্গী করে দুঃখ অনেক বড়। কারণ, আমার স্বামী শওকত আলী শারীরিকভাবে মোটামুটি সক্ষম হলেও মানসিকভাবে একেবারেই ভারসাম্যহীন। মানসিক অস্থিরতার কারণে সে কোনো স্বাভাবিক কাজ-কর্ম করতে পারে না।’সোনাইমুড়ি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘২০০৩ সালের ডিসেম্বর মাসে শওকতের সাথে আমার বিয়ে হয়। এরপর আমরা আমার ননদদের সাথে চট্টগ্রামে থাকতাম। এক বছরের মাথায় সেখান থেকে চলে আসি। পরে আমি অসুস্থ স্বামী ও একমাত্র মেয়ে বৃষ্টিকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করি। গ্রামের বাড়ীতে আজ থেকে ২৮-২৯ বছর আগে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী তিন রুমের একটি পাকা ভবন নির্মাণ করে দেয়। বর্তমানে আমরা এখানেই থাকি।’

সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করা রাবেয়া বলেন, ‘আমার স্বামী শওকত মাদরাসা মাধ্যমে দাখিল পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। আমার স্বামী স্বাভাবিক কাজকর্ম কিছুই করেন না। সে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। কোনো প্রকার কাজই তিনি করতে পারে না। কেউ তাকে ৫০-১০০ টাকা দিলেই তিনি তার পক্ষে কথা বলে। এমনকি টাকা দিলে চেক-দলিলের মত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে সই পর্যন্ত দিয়ে দেয়। দিনে মানুষের কাছে হাত পেতে ৪০-৫০ টাকা পেলেই তার আর কিছুই লাগে না। দোকানে বসে বসে শুধু চা-সিগারেট খায়। মাঝে মাঝে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।’

তিনি জানান, তার স্বামীর নামে মাত্র চার শতাংশ জমি আছে। তবে যে ভবনটিতে তারা থাকেন তা এখনও পরিবারের সবার নামে। রাবেয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা সর্বসাকুল্যে ৬ হাজার ৩২০ টাকা পাই। তাও গত এক বছর ধরে এটা পাই। এটা হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠের নামে সরকার থেকে মাসিক বরাদ্দকৃত টাকার চার অংশের এক ভাগ। এ টাকা দিয়ে সংসার চালানো, স্বামীর নিয়মিত চিকিৎসা ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালানো সম্ভব হয় না।’

তবে কেউ বীরশ্রেষ্ঠ শ্বশুরের কথা বললে গর্ববোধ করেন রাবেয়া। শান্তি পান। খুব ইচ্ছে একবার মংলা বন্দরে গিয়ে শ্বশুরের কবরটি দেখার। কয়েক বছর আগে নৌবাহিনীর প্রধান শওকতের চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা দিয়েছিলে বলে শুনেছেন রাবেয়া। কিন্তু, চিকিৎসা এখনও হয়নি।

সরকার কর্তৃক বরাদ্দ রেশন কার্ডগুলোও আছে চট্টগ্রামে ননদের কাছে। এ কারণে রেশন পেতে অনেক দেরি হয়। তার অনুরোধ যদি তাদের নামে কোনো রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করা যায়। স্বামীর বিষয়ে রাবেয়া আরো বলেন, ‘গত দশ দিন আগে আমার স্বামীর তার বোনদের কাছে চট্টগ্রামে গেছে। এ মাসের টাকাটা এখনও তুলতে পারিনি। তার মতিগতিরও ঠিক ঠিকানা নাই। কবে আসবে। অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে দিন পার করছি। হাতে বর্তমানে ৫০০ টাকাও নেই। মেয়েকে ঠিকমত খাবার দিতে পারি না। কষ্ট লাগে এসব কথা বলতে। কিন্তু উপায় তো নেই। সামনের দিনগুলো কীভাবে চলবে। মেয়েকে লেখাপড়া করাতে পারবো কি না দুঃশ্চিন্তায় আছি ‘

যে কোনো সাহায্যে মেয়ের নামে অ্যাকাউন্ট করে দিলে তার ভালো হবে। কারণ, কোনো সাহায্য-সহযোগিতা শওকত আলীর নামে দিলে তার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বদ লোকেরা হাতিয়ে নেয়। কয়েকজন প্রতিবেশীও রাবেয়ার কথাগুলোর সাথে একমত পোষণ করেন।

রাবেয়ার অভিযোগ, ‘আমার স্বামীর বোনেরা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমার স্বামীকে নেন। আমার মেয়ে ও আমাকে কোনো সময়ই নেয় না।’রাবেয়া বলেন, ‘মিডিয়ার লোকজনের সাথে কথা বলায় আমার ননদেরা ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছেন, আমি নাকি তাদের মান-সম্মান নষ্ট করে দিতেছি। কিন্তু আমি তো বেশি কিছু চাই না। আমি চাই শুধু আমার মেয়ে ও অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে একটু সুন্দরভাবে বাঁচতে।’

এ অভিযোগ সম্পর্কে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছোট মেয়ে ফাতেমা বেগমের কাছে  সাংবাদিকেরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে  পারিবারিক সংকট প্রকাশ পায়।। ফাতেমা বলেন, ‘আমার ছোট ভাইয়ের বউ পারিবারিক বিষয়ে মিডিয়ার কাছে যা বলছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, আপনি একবার চট্টগ্রাম এসে দেখে যান প্রকৃত সত্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের বরাদ্দ দেয়া বাড়িতে এখনও আমার ভাইয়ের জন্য দুই রুমের একটি ইউনিট খালি পড়ে আছে। আমি চাই তারা এখানে এসে থাকুক। প্রয়োজন হলে আপনারা তাদেরকে এখানে নিয়ে আসুন। একমাত্র ভাইয়ের মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে উচ্চ শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে চাই। কিন্তু রাবেয়া এটা চায় না। কোনো বোন কি চায়, তার ভাই ও ভাইয়ের বউ-বাচ্চা দুঃখ-কষ্টে থাকুক?’

ফেসবুকসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, একটি বাঁকানো গাছের শাখায় অন্য একটি পাতাসহ শাখা ঝুলিয়ে দুই পাশে পুরনো প্লাস্টিকের বোতল ভর্তি বস্তা নিয়ে শওকতের ফেরিওয়ালা হবার ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। গত বছরও একই কায়দায় একটি চক্র শওকতকে দুইশ’ টাকা দিয়ে একটি ঠেলাগাড়ি ঠেলতে দিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে অপপ্রচার চালায়- তিনি নাকি ঠেলাগাড়ি ঠেলে জীবিকা নির্বাহ করেন। আরও এক বছর আগে গ্রামের একটি চা-দোকানে শওকত চা খাওয়ার পর টাকা দিতে না পেরে দোকানের কাপ-পিরিচ ধুয়ে দেন- এমন একটি ছবি দিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়, শওকত চা-দোকানে কাজ করে জীবিহা নির্বাহ করেন।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৪ সালে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার নান্দিয়াপাড়ার বাগপাঁচড়া গ্রামে (বর্তমানে শহীদ রুহুল আমিন নগর)। তার মা জুলেখা খাতুন ও পিতা মোহাম্মদ আজাহার পাটোয়ারি। ১৯৫০ সালে তিনি নৌবাহিনীতে যোগ দেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

20 − nineteen =