ব্লগার রাজীব হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহালসহ ইমামদের আইন বহির্ভূত বয়ান না দেয়ার অনুরোধ হাইকোর্টের

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজীব হত্যাকাণ্ডে নিম্ন আদালতের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার রায় দেয়, এছাড়াও ইমামদের আইন বহির্ভূত বয়ান না দেয়ার অনুরোধ করেন বিচারপতিরা ৷

নিষিদ্ধ সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান মুফতি জসীমউদ্দীন রাহমানীর উগ্রবাদী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্র মিলে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায় ৷

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ফয়সাল বিন নাঈম দীপ এবং রোদোয়ানুল আজাদ রানা। এদের মধ্যে রেদোয়ানুল আজাদ বর্তামানে পলাতক আছে।

মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের একজন মুফতি জসিমুদ্দিন রাহমানী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান হিসেবে পরিচিত। তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মি. রাহমানী ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত বাকিরা ঢাকার বেসরকারি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়ে জামায়াতের শীর্ষপর্যায়ের  নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ২০১৩সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি। এই রায় ঘোষণার পর পরই সর্ব্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঢাকার শাহবাগে আন্দোলন শুরু হয়।

আর এই আন্দোলন শুরুর কয়েকদিন পরই ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার পল্লবী এলাকায় ব্লগার রাজীবকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।

ব্লগার রাজীবের পুরো নাম আহমেদ রাজীব হায়দার। তিনি পেশায় স্থপতি ছিলেন। তিনি ব্লগ লিখতেন ‘থাবাবাবা’ নামে, তার ব্লগ হ্যাক করে অনেক আপত্তিজনক কথা ব্লগে ঢুকিয়ে মৃত্যুর সাথে সাথে জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল বলে জানা যায় ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + sixteen =