ভারতের বিমানঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় পাকি জঙ্গী নেতা মাসুদ আজহার পাকিস্তানে আটক

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভারতের  পাঠানকোটের বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাকিস্তানে জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার সহ বেশ ক’জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকর পাকিস্তানের নাম না করে জানান, ইটের জবাব পাটকেল হওয়া উচিত। এ বক্তব্যের পর চাপে পড়ে পাকিস্তান।পাঠানকোট-জঙ্গী হামলার ঘটনা ভারতে এসে তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে পাকিস্তান।পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের অফিস থেকে বুধবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা  জানানো হয়েছে।তবে  দিল্লি এখনো  এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি ।
আগামী ১৫ জানুয়ারি ইসলামাবাদে দু’দেশের বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা।যদিও সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না, সে বিষয়ে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানায়নি। পঠানকোট-কাণ্ডে পাকিস্তান কী ব্যবস্থা নেয়, সেটা দেখেই বৈঠকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। 

তড়িঘড়ি করে পাকিস্তান তাদের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, আইবি প্রধান, আইএসআই-এর ডিজি, পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর  উপদেষ্টা, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শরিফ। সেই বৈঠকে কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটাই বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে।
পাক প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে,পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের অভিযোগ ছিল, সে দেশের মাটি ব্যবহার করে এ দেশে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালানো হয়। এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে পাকিস্তান জানিয়েছে, এমনটা যাতে আর না হয় সে দিকে নজর দেওয়া হবে।

পাঠানকোট-কাণ্ডে ভারতের পাঠানো পাক যোগের তথ্যপ্রমাণ হাতে পেয়ে প্রাথমিক তদন্তের পর দেশ জুড়ে জইশ-ই-মহম্মদের বেশ কয়েকটা কার্যালয়ে হানা দেয় পাক পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয় তাদের অফিস। সংগঠনের বেশ কয়েক জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তবে সেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতের পাঠানো তথ্যপ্রমাণের মধ্যে সবটা সত্যি নয়। কেন না, ভারতের দেয়া টেলিফোন নম্বরগুলির কোনওটিই পাকিস্তানে নথিভুক্ত নেই।তবু সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর সে কারণেই ভারতে এসে তদন্ত করতে চায় পাক গোয়েন্দাদের একটি বিশেষ দল। অন্য দিকে, ভারতীয় সেনাপ্রধান দলবীর সিংহ সুহাগ বলেন, ‘‘আমাদের যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, আমরা তা পালন করতে প্রস্তুত।’’  ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাপ্রধান এ মন্তব্য করেন বলে মনে করা হচ্ছে। আনন্দবাজার

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

four × 3 =