ভারতের সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় লেজার ব্যবহার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাংলাদেশ সীমান্তের দীর্ঘ ৩০-৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত প্রাচীর নেই। যতোটাই আছে -পুরোটাই ভারত সরকারের সীমানা প্রাচীর। বাংলাদেশের সরকারেরা বলে যায়  ‘ আমাদের খরচ বেঁচে যায় । ” এর মধ্যে এই সীমান্তকে ব্যবহার করে জঙ্গী এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা ভয়াবহ ভাবে বেড়ে গেছে। এ চরম সংকটে এবার এ অরক্ষিত সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে লেজার ওয়াল বসাবে ভারত।

ভারত সরকারের পাইলট প্রজেক্টের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সীমান্তে এই লেজার ওয়াল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাশাপাশি গুজরাটের পাকিস্তান-ভারত সীমান্তেও লেজার সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী একমাসের মধ্যে লেজার বসানোর কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে, পাঞ্জাবের পাক-ভারত সীমান্ত বরাবর ১২টি জায়গায় লেজারের বেড়া বসায় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। উপগ্রহ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মাধ্যমে লেজার ওয়াল কাজ করছে। সীমান্তে অবৈধ গতিবিধি টের পেলেই সেন্সর সঙ্কেত পাঠিয়ে দিচ্ছে কম্যান্ড সিস্টেমে। সঙ্গে সঙ্গে সেই এলাকা বিএসএফের নজরে চলে আসছে।

লেজার ওয়ালের এই সাফল্য দেখেই সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় লেজার ব্যবহার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানায় বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, দুইবছর আগেই সীমান্তে লেজার ওয়াল তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিএসএফ। কাজ শুরু হলেও এগোচ্ছিল ঢিমে তালে। কিন্তু পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর নড়চড়ে বসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সীমান্তের যেসব পাহাড়ি এলাকায় বিপজ্জনক ঢাল রয়েছে, সেসব এলাকা আগে লেজারের মাধ্যমে সুরক্ষিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিএসএফের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীই লেজার ওয়ালের দেখভাল করছে। পাঞ্জাব সীমান্তের ৮টি এলাকায় লেজার ওয়াল ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। আরও ৪টি জায়গায় পরিকাঠামো তৈরি সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই সেসব লেজার ওয়াল চালু করা হবে। সূত্র:আনন্দবাজার

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 + 14 =