ভোট কারচুপির মাধ্যমে ইমরান খানকে জয়ী করা হয়েছেঃনির্বাচনী ফলাফল বর্জন করেছে বিরোধী দলগুলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ইমরান খান। এখন পর্যন্ত তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ১১৭ আসনে জয়ী হলেও এই ফলাফল বর্জন করেছে পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো।

তাদের দাবি, ভোট কারচুপির মাধ্যমে ইমরান খানকে জয়ী করা হয়েছে। ইসলামাবাদে এমএমএ দলের নেতা মিয়া আসলামের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবারের নির্বাচনী ফলাফল বর্জন করে বিরোধী দলগুলো। তারা পুনরায় ভোট গ্রহণ তথা নির্বাচনের দাবি তোলে। একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধী দলের নেতারা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের অনলাইন সংস্করণ এসব তথ্য দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবারের ওই সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ ও মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আমল (এমএমএ) প্রেসিডেন্ট মাওলানা ফজলুর রেহমানসহ অন্যান্য বিরোধীদলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে এমএমএ প্রেসিডেন্ট মাওলানা ফজলুর রেহমান বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই নির্বাচন জনগণের ম্যান্ডেট নয়; বরং এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট চুরি করা হয়েছে।’

এদিকে বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে কারাগারে থাকা নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফকে উদ্ধৃত করে বলেছে, পিএমএল-এন নির্বাচন বর্জন করবে, নাকি সংসদে যাবে, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

পাকিস্তানের আরেক বড় দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলওয়াল ভুট্টো জারদারি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করলেও তাঁর দল সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন করায় ব্যর্থ নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করে পুনরায় নির্বাচন করার কথাও বলেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের অনলাইন সংস্করণ নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) বরাত দিয়ে ২৬৮টি আসনের ফল প্রকাশ করেছে। এখনো দুটি আসনে ফল প্রকাশ বাকি রয়েছে।

ইসিপির ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দল ১১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। কারাবন্দী নওয়াজ শরিফের গড়া দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) পেয়েছে ৬৩টি আসন। আর বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) জয়ী হয়েছে ৪৩টি আসনে।

এ ছাড়া মুত্তাহিদা মজলিশ আমল (এমএমএ) পেয়েছে ১১টি আসন, গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (জিডিএ) দুটি ও মুত্তাহিদা কওমি আন্দোলন-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি) ছয়টি আসনে জয়ী হয়েছে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 − ten =