মঙ্গল গ্রহের মাটি’তে জন্ম নিল পোকা, চাষাবাদের শুরু

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বায়োলজিস্ট ডঃ ওয়েজার ওয়েমলিঙ্ক যে মাটি ব্যবহার করেছেন তাতে অবিকল মঙ্গল গ্রহের মাটির উপাদানই রয়েছে। মঙ্গলের মাটি তৈরিতে তাঁকে সহযোগিতা করেছে নাসা। নেদারল্যান্ড র ওয়েজেনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই গবেষণা চালিয়েছিলেন ওয়েজার। মঙ্গলের মাটি’তে জন্ম নিল দু’টি পোকা, ওয়েজার জানান, মঙ্গলের মাটিতে এই প্রথম প্রাণের সূচনা হল। নাসা যে ২০৩০-র মধ্যে পাকাপাকিভাবে লালগ্রহে বাস করার পরিকল্পনা করেছে, সে দিকেই হদিশ দেখাচ্ছে ওই পোকাগুলি।

বাগান থেকে কয়েকটি পোকা এনে কৃত্রিম মঙ্গলের মাটিতে ছেড়ে দেন ডঃ ওয়েজার ওয়েমলিঙ্ক। পরে দেখা যায় সেখান থেকে নতুন দুটি পোকা জন্ম নিয়েছে। ওয়েজার জানান, কৃত্রিম এই মাটিতে মঙ্গলের মাটির সব উপাদান নেই। পের্কলরেট রাসায়নিক পদার্থ কৃত্রিম মাটিতে নেই বলে জানাচ্ছেন ওয়েজার। যদিও তিনি আশাবাদী, মঙ্গলের মাটিতে ফসল ফলানো সম্ভব হবে। মঙ্গলে মানুষ থাকার চেয়ে জীবাণুর অস্তিত্ব থাকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। মাটি উর্বর করতে ব্যাকটেরিয়া, জীবাণুদের প্রয়োজন। মঙ্গলের মাটিতে কৃত্রিম উপায়ে চাষাবাদ করতে তাই এই গবেষণা নতুন মাত্রা দিল বলে জানাচ্ছেন নাসার বিজ্ঞানীরাও।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

seventeen − nine =