স্পীকারের নেতৃত্বে ৩টি সাব-কমিটি:ন্যূনতম বিয়ের বয়স ১৮ প্রশ্নে কোন শর্ত না

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দ্বাদশ পর্যন্ত নারী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দিয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ রাখতে এবং এই আইনের সঙ্গে অন্য কোন শর্ত না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএপিপিডির অধীনে গঠিত বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ সাব-কমিটি।

এসব বিষয়ে জনমত ও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানায় কমিটি। গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, ইউএনএফপিএর অর্থায়নে সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্ট্রেন্ডেনিং পার্লামেন্ট’স ক্যাপাসিটি ইন ইন্ট্রিগ্রেটিং পপুলেশন ইস্যুজ ইনটু ডেভেলপমেন্ট (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় স্পীকারের নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পার্লামেন্টারিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিএপিপিডি) অধীন তিনটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও যুব উন্নয়ন বিষয়ে গঠিত এই তিন সাব-কমিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।
জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আ. স. ম. ফিরোজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন, সংসদ সদস্য বেগম রেবেকা মমিন, মো. হাবিবে মিল্লাত, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম ও উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব গোলাম কিবরিয়া, এসপিসিপিডির প্রকল্প পরিচালক কামাল বিল্লাহ প্রমুখ।
চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেন, আমরা গণমাধ্যমের কাছে আশা করি তারা যেন বাল্যবিবাহ সম্পর্কিত আইনের কঠোর দিকগুলো আরও ফলাও করে প্রচার করে। যৌন নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক। যেসব এলাকায় গণমাধ্যমের প্রচার কম, সেসব এলাকায় বাল্যবিয়ের প্রবণতা বেশি বলে একটি গবেষণায় উঠে আসার কথাও জানান তিনি।

চীফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান জনসংখ্যার বিপুল অংশ যুবক। প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ এবং মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে মিডিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু, মাতৃস্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহের একটি সচিত্র প্রতিবেদন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৮ বছরের নিচে কোন মেয়ের বিয়ে দেয়া যাবে না। খুব শীঘ্রই এ সংক্রান্ত আইন সংসদে আসবে। সেখানে কোন ‘কিন্তু’ বা ‘শর্ত’ যোগ করা যাবে না। আইনের মাধ্যমে নারীদের বিয়ের বয়স ১৮ বছর করার ক্ষেত্রে আরও কঠোর হতে হবে।

অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম বলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের এই অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে হবে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 × 5 =