মহেশখালীতে এলএনজির প্রথম চালানবাহী জাহাজ ‘এক্সিলেন্স’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রথম চালান নিয়ে  কাতার থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ভিড়েছে বিশেষায়িত জাহাজ ‘এক্সিলেন্স। প্রাকৃতিক গ্যাসকে শীতলকরণ (রেফ্রিজারেশন) প্রযুক্তির মাধ্যমে তাপমাত্রা কমিয়ে মাইনাস ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে তরলে (এলএনজি) পরিণত করা হয়। ‘এক্সিলেন্স’ জাহাজটিতে থাকা এলএনজিকে প্রাকৃতিক গ্যাসে রূপান্তর করা হবে। এরপর পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

‘এক্সিলেন্স’র স্থানীয় এজেন্ট সীকম শিপিং লাইন্স লিমিটেডের পরিচালক জহুর আহমেদ জানান, জাহাজটি উপকূল থেকে দূরে অবস্থান করবে ভাসমান টার্মিনাল হিসেবে। ১৫ বছর বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি জাহাজ ভাড়া পাবে। এরপর এটি বাংলাদেশ সরকারের মালিকানায় চলে আসবে।কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে জাহাজটি বাংলাদেশে এসেছে।

১ লাখ ৩৬ হাজার ঘনমিটার তরল গ্যাস নিয়ে মঙ্গলবার মাতারবাড়ী উপকূল থেকে তিন কিলোমিটার দূরে জাহাজটি নোঙর করে। ২৭৭ মিটার লম্বা, ৪৪ মিটার প্রস্থ এবং ১২ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) বিশেষায়িত এ জাহাজটি বাংলাদেশে আসা সবচেয়ে বড় জাহাজ।

জাহাজে থাকা এলএনজি পাইপ লাইনের মাধ্যমে আনা হবে চট্টগ্রামে। এ জন্য মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা পর্যন্ত ৩০ ইঞ্চি ব্যাসের ৯১ কিলোমিটার পাইপলাইনের কমিশনিং (গ্যাস ঢুকিয়ে সফল পরীক্ষা) সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন আনোয়ারা থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত ৪২ ইঞ্চি ব্যাসের আরও ৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণের কাজ চলছে। এটির কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত এলএনজি থেকে পাওয়া গ্যাস শুধু চট্টগ্রামের শিল্প কারখানায় সরবরাহ করা হবে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 2 =