মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি রপ্তানিকারকদের যুক্ত করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় (জিটুজি প্লাস পদ্ধতি) মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা সই করা হয়।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি ও মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ট আনক জিম।

একেকজন কর্মীর ন্যূনতম মজুরি কত হবে, এ প্রশ্নের জবাবে রিচার্ড রায়ট আনাক জায়েম বলেন, স্থানীয়ভাবে মালয়েশিয়ায় এলাকাভেদে ন্যূনতম মজুরি হলো ৯০০ ও ৮০০ রিঙ্গিত, এবং সে-অনুযায়ীই মজুরি নির্ধারিত হবে।

জিটুজি প্লাস (সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে) প্রক্রিয়ায় আগামী ৫ বছরে ৫টি খাতে কাজ করার জন্যে এসব কর্মী নিচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। কর্মীপ্রতি অভিবাসন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার থেকে ৩৭ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্লেন ভাড়া, ইন্স্যুরেন্স, স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট খরচ বহন করবেন নিয়োগকর্তা (মালয়েশিয়া) পক্ষ। নিয়োগকর্তা কর্মীর (যোগ্যতাভিত্তিক) চাহিদা জানাবে বাংলাদেশ সরকারকে।

বাংলাদেশ সরকার জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তালিকা অনুযায়ী কর্মী বাছাই করবে। বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোও এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। সেক্ষেত্রে বাছাই করা তালিকা বিএমইটি দেবে বায়রাকে। বায়রা এ ডাটাবেজ থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ভিসা প্রসেসিং, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও বহির্গমন সেবা দেবে। ভিসা প্রসেসিংসহ কর্মীর ডাটাবেজ এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে অনলাইনে। কর্মীদের বেতন পরিশোধ করা হবে ব্যাংকের মাধ্যমে।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

seventeen − 15 =