যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৫টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৬ পলাতক ঘাতক

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Escaped Warcriminals

সুমি খান: একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন সহ  মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচারে ২০১০ সালে ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর  এ পর্যন্ত ১৯টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৬ জন অপরাধী পলাতক রয়েছে। মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের পলাতক ‘রাজাকার কমান্ডার’ হাসান আলীকে ফাঁসিতে অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।
                                পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা এবং সাজা  

বাচ্চু রাজাকার: জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ । পলাতক বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ৮টি অভিযোগের মধ্যে ৭টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল ।

Chy Moinuddin & Ashraf

আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন: সাংবাদিক এবং বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে বাঙ্গালী জাতিকে মেধাশূন্য করতে পাকিস্তান সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেয় দুই আলবদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন।  মানবতাবিরোধী অপরাধে এই দুই আসামীর বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের সব গুলোই প্রমাণিত হয়। আশরাফুজ্জামান খান যুক্তরাষ্ট্রে এবং চৌধুরী মুঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে পালিয়ে আছেন।তাদের দুইজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
খোকন রাজাকার: ফরিদপুরের নগরকান্দার সাবেক পৌর মেয়র জাহিদ হোসেন খোকন ওরফে খোকন রাজাকারের বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়। তাকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে সাজা কার্যকরের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

জব্বার রাজাকার: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার রাজাকার নেতা জব্বার হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে  মানবতাবিরোধী  অপরাধের ৫টি অভিযোগের সবগুলোই প্রামাণিত হয়। এর মধ্যে ৪টি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং একটিতে ২০ বছরের সশ্রম  কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে ট্রাইব্যুনাল।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

2 + 11 =