রাশিয়ার সামরিক মহড়া:পুতিন দিয়েছেন শান্তির বাণী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাশিয়ার পূর্ব সীমান্তে তথা সাইবেরিয়ায় চলছে দেশটির সোভিয়েত পরবর্তী সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া। গত ১১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া মহড়াটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল ১৭ সেপ্টেম্বর। এতে অংশ নিচ্ছে দেশটির প্রতিবেশী চীন এবং মঙ্গোলিয়া। উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোট (ন্যাটো) সদস্য তুরস্ককে এই মহড়ায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও দেশটি পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্ব সাংবাদমাধ্যমেও রাশিয়া-চীনের সর্ববৃহৎ এই আয়োজনটি উঠে এসেছে ‘পশ্চিমের দেশগুলোর প্রতি একটি হুমকি’ হিসেবে। তবে রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন দিয়েছেন শান্তির বাণী। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, “আমরা আসলে আন্তর্জাতিক সামরিক অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার জন্যেই কাজ করছি।”

‘ভসটক ২০১৮’ বা ‘পূর্ব ২০১৮’ নামের এই আয়োজনে রয়েছে রুশ সামরিক বাহিনীর তিন লাখ সদস্য। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে এক হাজার যুদ্ধবিমান ও ৩৬ হাজার ট্যাঙ্ক। মহড়ায় চীন পঠিয়েছে ৩২শ সেনা, ৯০০ কমব্যাট ভেইকেল এবং ৩০টি যুদ্ধবিমান। তবে মঙ্গোলিয়ার সেনা সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্মরণকালের বৃহৎ এই সামরিক মহড়াটিকে পশ্চিমা দুনিয়া বিশেষ করে ন্যাটো দেখছে ‘এক ধরনের হুমকি’ হিসেবেই। তাই আটলান্টিকের দুই তীরেই সৃষ্টি হয়েছে চাপা উত্তেজনা। রুশ ভল্লুকের এমন বাড়বান্তকে ‘বাঁকা চোখে’ দেখতে গিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম এক্সপ্রেস খবরটির শিরোনাম দিয়েছে ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সতর্কতা’!

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

one + five =