রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম:রীট খারিজ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে দায়ের করা রীট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। আবেদনকারীদের আবেদন অধিকার না থাকায় রুল খারিজ করে দেয় আদালত। সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দায়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।এই রায়ের ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রণীত বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাবার অধিকার থেকে আবারো বঞ্চিত হলো জাতি।

বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন-বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহম্মদ আশরাফুল কামাল।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের  শাসনামলে ১৯৮৮ সালের ৫ জুন চতুর্থ জাতীয় সংসদে অষ্টম সংশোধনী পাস করা হয়। সেই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত করে তৎকালীন সরকার।

সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সেই বছরের আগস্ট মাসে ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ কমিটির’ পক্ষে সাবেক প্রধান বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেনসহ ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। দীর্ঘ ২৩ বছর আবেদনটি হাইকোর্টে বিচারাধীন ছিল।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী এনে তাতে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে বহাল রাখে। এই সংশোধনীর ২(ক) ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন দাখিল করে রিটকারী পক্ষ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে পৃথক দুটি রুল জারি করে হাইকোর্ট। রুলে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে অন্তর্ভুক্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ও বে-আইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

thirteen − six =