লাস ভেগাস: আলোর আড়ালে গভীর অন্ধকার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লাস ভেগাস। নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আলো ঝলমলে ছবি। উদ্দাম আনন্দ, উৎসব। কিন্তু তার পিছনেই রয়েছে অন্ধকার। সেটা সবাই দেখতে পায় না। জানতে পারে না। অনুভব করতে পারে না। সেই সব না-জানা কথাই তুলে ধরেছেন সেখানকার হোটেল কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও গৃহ-পরিচারিকারা।

Las Vegas_01তাঁরা বলছেন শুধু আলো আর আলো নয়, আঁধার রয়েছে অনেক। তাই তো ভেগাসের আর এক নাম পাপের শহর। ওই হোটেল কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী, গৃহ-পরিচারিকারাই তো দেখতে পান পাপের আসল ছবি।

প্রায় ১৪০০ জন এমন কর্মীর মতামত নিয়েছে একটি পত্রিকা। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে লাস ভেগাসের ‘অন্য’ ছবি। তারই কিছু নমুনা রইল এখানে। সরাসরি মন্তব্যগুলো তুলে দেওয়া হল—

“একজন এসে বললেন, আপনি আমাদের হোটেলে চলে আসুন এবং আমার স্ত্রীর সঙ্গে যৌনতা করুন। আমি অস্বীকার করেছি।“

“একজন ব্যক্তি আমার কাছে এসে কিছু ব্যবহার করা অন্তর্বাস বিক্রি করতে চাইলেন। তার কাছে অনেক ব্যবহার করা প্যান্ট, থং, ব্রেসিয়ার রয়েছে।“

লাস ভেগাস জুয়া খেলার জন্যও বিখ্যাত। আর সেই খেলায় জেতার জন্য অনেক নীচেও নামতে দেখা যায় অনেককে। আর পয়সা কামানোর জন্য কী কী হয় জানেন?

“একজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাঁর অণ্ডকোষে লাথি মারতে বলেছিলেন, বিনিময়ে চেয়েছিলেন মাত্র ১০ ডলার।“

হোটেলকর্মীদের অনেকেরই অভিজ্ঞতা এমন যে বহু লোক হোটেলে নিজেদের ঘরে নয়, হলঘরেই যৌনতায় মেতে যান। তবেreasons-why-las-vegas-is-the-worst-place-ever-1413237991864 হলঘরের যৌনতায় সম্পূর্ণ নগ্নতা থাকে না। যতটা সম্ভব পোশাক গায়ে থাকে। একই ছবি দেখা যায় হোটেলের সুইমিং পুলে।

এক জন সাফাইকর্মীর বক্তব্য, ‘‘প্রতিদিনই এত এত ব্যবহার করা কন্ডোম, মদের বোতল, নোংরা জামা কাপড়, সিরিঞ্জ আর বমি পরিস্কার করতে করতে ক্লান্ত লাগে।“

অনেকেরই বক্তব্য, ঘরের ভিতরে ঢুকেই দেখা যায় গোটা ঘর অশ্লীলভাবে নোংরা। কোথাও কোথাও আবার ঘরে এবং দেয়ালেও খাবার দাবার এবং অন্যান্য আবর্জনা ছড়ানো। কোকেনের ছড়াছড়ি। তবে এরই মধ্যে কখনও কখনও ডলার কুড়িয়ে পাওয়া যায়। ময়লা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া ডলার পরিষ্কার করে পকেটে পুরতে যে ভালো লাগে সেটা জানাতেও ভোলেননি তাঁরা।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

fifteen − 7 =