শিশু অধিকার সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে -স্পীকার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সুস্থ শিশু জাতির ভবিষ্যৎ । শিশুশ্রম দূর করতে শিশু বান্ধব বাজেট প্রণয়নের মাধ্যমে ঝরে পড়া শিশুদের নগদ অর্থ প্রণোদনা দিয়ে তাদেরকে বিদ্যালয়মুখী করার প্রস্তাব করলেন স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সুস্থ শিশুর পূর্ব শর্ত মায়েদের পুষ্টির নিশ্চয়তা বললেন স্পীকার। একাত্ম হয়ে সার্কভুক্ত দেশ সমূহের সংসদ সদস্যগণ শিশু অধিকার সুরক্ষায় নতুন শপথ উচ্চারণ করলেন ।

৪ মে বৃহস্পতিবার  ঢাকায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত ‘সাউথ এশিয়া পার্লামেন্টারিয়ান প্ল্যাটফরম ফর চিলড্রেন’ র্শীর্ষক দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  স্পীকার এ কথা বলেন।  জাতিসংঘ  শিশু তহবিল ইউনিসেফ এর দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডেপুটি ডিরেক্টর ফিলিপ কোরির সঞ্চালনায়  এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর মিজ জেন গফ ও সার্কের সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর রিশফা রাশেদ বক্তব্য রাখেন। দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশসহ সার্কভূক্ত অন্যান্য দেশসমূহের সংসদ সদস্যগণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নিচ্ছেন।

শিশুশ্রম দূর করে  শিশুদের  খাদ্য, বস্ত্র বাসস্থান এবং  শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে শিশুদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে দক্ষিণ এশিয়ার সংসদ সদস্যগণের প্রতি আহবান জানালেন বাংলাদেশের  জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি গর্ভাবস্থায় শিশুদের প্রাথমিক বিকাশে সহায়তা করে।সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত করার  ও আহ্বান জানান স্পীকার  । এ সময় তিনি শিশু অধিকার রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে দক্ষিণ এশিয়ার সংসদ সদস্যগণকে  একাত্ম হয়ে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, এ অঞ্চলের এক দেশ অন্য দেশের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে শিশু দারিদ্র কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে পারে।

স্পীকার বলেন, শিশুদের উন্নয়নে সংসদ সদস্যগণ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নিতে পারেন। বিশেষ করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক, শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিগুলো শিশু দারিদ্র কমিয়ে আনতে সুপারিশমালা প্রণয়ন করতে পারে।

শিশু বান্ধব বাজেট প্রণয়নের মাধ্যমে ঝরে পড়া শিশুদের নগদ অর্থ প্রণোদনা দিয়ে তাদেরকে বিদ্যালয়মূখী করা যেতে পারে। ফলশ্রুতিতে শিশু শ্রম হ্রাস পাবে এবং সামগ্রিক দারিদ্র উন্নয়ন সূচকে উন্নতি হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের মাঝে বছরের শুরুতেই বিনামূলে বই বিতরণ করছে। দরিদ্র ও মেধাবী বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করছে।  দুপুরের খাবার দেবার প্রথা বা ‘মিড ডে মিল’  চালুকরণ,ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা, প্রসূতিকালীন ছুটি প্রভৃতি নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে মহিলা ও শিশুদের অধিকার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ সরকার ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

one × 5 =