শুভ মাঘী পূর্ণিমা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তথাগত বুদ্ধ কর্তৃক স্বীয় পরমায়ু সংস্কার শুভ মাঘী পূর্ণিমার একটি অত্যুজ্জল ঘটনা। ধর্মীয় ভাষায় আয়ু সংস্কার বলা হলে ও মূলত এই কথার মাধ্যমে আয়ু বিসর্জন দেবার ভাব ফুটে উঠেছে। বুদ্ধের মতে সংসারে কে কতদিন বাঁচবে, কোন রোগ কখন মানুষকে পেয়ে বসে, ত্রিকাল-ত্রিযামের মধ্যে কখন কার মৃত্যু হবে, মৃতদেহটি কোথায় নিক্ষেপ বা কবরস্থ করা হবে এবং মৃত্যুর পরে স্বর্গ-নরক কে কোথায় গিয়ে উৎপন্ন হবে এই পাঁচটি গভীর রহস্য কেউ আগে থেকে নিশ্চিত করে বলতে পারেন না।

বুদ্ধ স্মৃতি ও জ্ঞান যোগে অধিষ্ঠান করে বললেন, “এখন হতে তিনমাস পর বৈশাখী পূর্ণিমা পর্যন্ত আমার প্রাণ বায়ু চলতে থাকুক, অতপর নিরুদ্ধ হউক।” সাথে সাথে শুরু হল ভীষন লোমহর্ষকর ভূমিকম্প, দেব দুন্দুভি অর্থাৎ দেব গর্জন, অকাল বিদ্যুৎ, ঘন বৃষ্টি। সেদিন ছিল শুভ মাঘী পূর্ণিমা। এই অবিস্মরণীয় ঘটনাকে স্মৃতিতে চিরভাস্বর করে রাখার জন্য বৌদ্ধরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে প্রতি বছর শুভ মাঘী পূর্ণিমা পালন করে থাকেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

17 − one =