২০ বছরে সুন্দরী গাছশূন্য হয়ে যেতে পারে সুন্দরবন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ হুমকির মুখে রয়েছে, এবং আগামী ২০ বছরে এই উদ্ভিদ প্রজাতি বিশ্বের এই বৃহত্তম বাদাবন (ম্যানগ্রোভ) থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশবিদরা।

ঢাকায় গতকাল শনিবার শুরু ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ’ বিষয়ে দুদিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালায় যোগদানকারী পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এ-সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে না পারায় ও সমন্বিত উদ্যোগের অভাবেই এমনটা ঘটছে।

সমুদ্রের উপকূলে তীব্রভাবে লবণাক্ততা বাড়তে থাকার ফলে শুধু সুন্দরী গাছই নয়, পুরো সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা জানান।

পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, “সুন্দরবনে লবণাক্ততার ফলে সুন্দরী নামক বড় গাছগুলো যদি না থাকে, তখন সেখানে পানি এত লবণাক্ত হয়ে যাবে যে, বাঘের বা হরিণের অস্তিত্ব এবং পুরো গাছপালার যে-সিস্টেম আছে, সেটাই হারিয়ে যাবে।”

তিনি বলেন, এর সমাধান হচ্ছে লবণাক্ততা কমানোর জন্য সুন্দরবনে মিঠাপানি সরবরাহ করা। তার মতে, একটি ব্যারাজ তৈরি করে গঙ্গা থেকে পাওয়া পানির কিছুটা সুন্দরবনে ধাবিত করলে লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যাবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 16 =