২৬/১১’র মুম্বই হামলা: হেডলির সাক্ষ্যে আরো মারাত্মক তথ্য

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মুম্বই হামলার প্রধান পরিকল্পক ডেভিড কোলম্যান হেডলি আজ মঙ্গলবার আবার এক বিস্ফোরক সাক্ষ্য দিল মুম্বই আদালতে।

সাক্ষ্যদানের দ্বিতীয় দিনে হেডলি স্বীকার করল, ২৬/১১-এর আগে মুম্বইয়ের সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে হামলার ছক কষা হয়েছিল, এবং সে-লক্ষ্যে জায়গাটা সে রেকিও করেছিল।

প্রদত্ত সাক্ষ্যে ফের একাধিক তথ্য ফাঁস করে হেডলির দাবি, ২৬/১১’র নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈয়বাই ছিল। সেই সময়, অর্থাৎ ২০০৭ সালে, জকিউর  রহমান লকভিই ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার অপারেশনাল কম্যান্ডার। সেই সময়েই মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিজ্ঞানীদের কনভেনশনে হামলার ছক কষা হয়। সেই ব্লুপ্রিন্ট চূড়ান্ত করতে ২০০৬-রত ডিসেম্বরে বৈঠক হয় মুজ্জাফরাবাদে। এ বৈঠকে হাজির ছিল সাজিদ মীর, মুজাম্মিল ও আবু খাফা। সেখানেই মুম্বই যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। মুম্বই থেকে গোপন তথ্য এবং ভারতীয় সেনায় চর নিয়োগের দায়িত্ব তাঁর ওপরেই পড়ে বলে হেডলি আদালতে দাবি করেন।

হেডলির এ বয়ানে মুম্বই হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগাযোগ আরো স্পষ্ট হল। এখন অন্তত সন্ত্রাস দমনে ইসলামাবাদ সক্রিয় হচ্ছে কিনা, এ প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং। কংগ্রেস নেতা প্রমোদ তিওয়ারির অভিমত, এবার ভারত সরকারের উচিত হবে হেডলির দেয়া সাক্ষ্যপ্রমাণ পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে এ নিয়ে পদক্ষেপ নিতে ইসলামাবাদের উপর চাপ বাড়নো।

শিকাগোর বাসিন্দা মার্কিন নাগরিক হেডলিকে পাসপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকম। উত্তরে হেডলি জানায়, ২০০৬-এর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবার করাচি থেকে সে মুম্বই আসে।

লস্কর-ই-তৈয়বা’র সঙ্গে আরো যোগাযোগের অনুসন্ধানে হেডলিকে আবু জুন্দলের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

২০০৮-এর ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় সরাসরি জড়িত থাকার দায়ে গ্রেপ্তার আবু জুন্দাল বর্তমানে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে বন্দী।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

12 − three =