৬ সাংবাদিক হত্যা মামলার রায় কার্যকর:আইসিস জঙ্গী সাংবাদিক হানাফিকে হাত-পা বেঁধে গুলি করে হত্যা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একটি কাঠের পোলে হাত-পা বেঁধে যতক্ষণ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয় একের পর এক গুলি চলতে থাকে  সাবেক খ্যাতিমান সাংবাদিক  ৩০ বছর বয়সী আইসিস –আল-শাবাব জঙ্গী হানাফির ওপর।গতমাসে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর এক সামরিক আদালত হানাফির হত্যাযজ্ঞের তথ্যপ্রমাণ পেয়ে হানাফির বিরুদ্ধে  ফায়ারিং স্কোয়াডে হত্যার রায় দেন।

২০০৮ সালে সোমালিয়ার আল শাবাব জঙ্গী দলে যোগ দিয়ে ২০০৯ সালে কমান্ডার পদ পান হাসান হানাফি।

সোমালি মিলিটারি আদালতের বিচারক হাসান আলী সাংবাদিকদের বলেন, একজন সাংবাদিককে হত্যার দায় স্বীকার এবং আরো ৫ সাংবাদিককে হত্যার দায়ে এ মৃত্যুদণ্ড তাকে সেই নৃশংসতা ফিরিয়ে দিলো, অন্তত ৬ সাংবাদিককে যতোটা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে সাবেক এই সাংবাদিক।

২০০৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশী সাংবাদিককে সোমালিয়াতে আল শাবাব জঙ্গীরা হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সাংবাদিক রক্ষা কমিটি সিপিজে।

জঙ্গী ঘাতক হানাফির মৃত্যুদন্ডের এই রায় কার্যকরের  মাধ্যমে হানাফি তার  নৃশংসতার যোগ্য শাস্তি পেয়েছে মনে করছেন সোমালিয়ার সরকার। হানাফির বর্বরতম হত্যাকান্ডের তথ্যপ্রমাণ পেয়ে সামরিক আদালতের বিচারকের রায়ে  হানাফির এমন মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষিত হলো, যা দ্রুততম সময়ে কার্যকর করেছৈ সোমালি সরকার।

২০০৮ সালে আইসিস এর সোমালিয়া শাখা আল শাবাবে যোগ দেয়া জঙ্গী হানাফির কাজ ছিল নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা।  অমানবিক এবং ববরতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সফল হওয়াতে ২০০৯ সালে আল শাবাব জঙ্গী দলের কমান্ডারের দায়িত্ব পায় হানাফি। সাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে আল শাবাবে যোগ দিতে বাধ্য করা এবং রাজী না হলে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করাই ছিল হানাফির মূল দায়িত্ব।

হানাফির হত্যাযজ্ঞের পালা শেষ হয় এই ভয়ংকর পন্থার মৃত্যুদন্ড কার্যকরের মাধ্যমে । হানাফি ২০১৫ সালে সোমালিয়া পুলিসের হাতে ধরা পড়ে।

৬ সাংবাদিককে আটক করে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিলো হানাফি।সেই হত্যার অভিযোগেই সোমালিয়া পুলিস হানাফিকে গ্রেফতার করে। দেড় বছর আপীল শুনানী শেষে সামরিক আদালতের বিচারক হানাফির মৃত্যুদণ্ড দেন।

ব্রাসেলসে জঙ্গি হানার ক্ষত এখনো ভোলেনি ফ্রান্স, এরমধ্যে ফের ফ্রান্সে জঙ্গি হানার হুমকি দিল আইসিস। আর এক মাস পরে শুরু হবে ইউরো কাপ।এই ফুটবল টুর্নামেন্টই ফ্রান্সে আইসিসের পরবর্তী টার্গেট। জঙ্গিদের এই পরিকল্পনা বানচাল করতে ফ্রান্স জুড়ে বাড়ানো হচ্ছে সতর্কতা।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

19 − fifteen =