৭৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড মিশরে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০১২ সালে দেশব্যাপী গণ আন্দোলনের পর মিশরের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে গিয়েছিলেন হোসনি মুবারক। সামনে থেকে সেই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলিম ব্রাদারহুড। তারই ফল, ক্ষমতায় এসেছিলেন মিশরের সর্বপ্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মোরসি। কিন্তু এক বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেননি মোরসি।

২০১৩-র অগস্টেইসেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মোরসিকে উৎখাত করেছিলেন আবেদল ফাতাহ আল সিসি। মোরসিকে সরিয়ে নিজেই প্রেসিডেন্ট হয়ে বসেন এই সামরিক জেনারেল। তার প্রতিবাদে দেশজুড়ে রাস্তায় নেমেছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড সমর্থকেরা। বেআইনি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল মুসলিম ব্রাদারহুডকে।

২০১৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মোরসির উৎখাতের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর শাস্তি হিসাবে ৭৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিল মিশর সরকার। এ ছাড়া কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে আরও ৪৭ জন মুসলিম ব্রাদারহুড সমর্থককে। শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন মিশরের বেশ কয়েক জন মুসলিম ধর্মীয় নেতাও। তীব্র প্রতিবাদ করেছে অ্যামনেস্টি-সহ সারা পৃথিবীর মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

উল্লেখ্য, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে চিত্রসাংবাদিক জায়েদ। তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মিশরের আদালত। এই বছরের শুরুতেই জাতিসংঘ তাকে ‘ওয়ার্ল্ড ফ্রিডম’ পুরস্কার দিয়েছিল ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 15 =